বিশ্ব শান্তি দিবসে ময়মনসিংহের গৌরীপুরের মইলাকান্দা ইউনিয়নের মেসিডেঙ্গী গ্রামে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর/২৬) ভাইয়ে-ভাইয়ে জমি সংক্রান্ত বিরোধে হামলা-ভাংচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের ১০জন আহত হন। আহতদের গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। গুরুত্বর আহত ৩জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
আহতরা হলেন ইদ্রিছ আলীর পুত্র রুবেল মিয়া (৪০), আব্দুর রাশিদের পুত্র সোহরাব (৪০), সোলাইমান মিয়া (৪৫), জিয়াউল হকের স্ত্রী হাজেরা খাতুন (৪০), হারুন অর রশিদের পুত্র আব্দুস সাত্তার (৩৫), আব্দুস সাত্তারের স্ত্রী দিলুয়ারা আক্তার (৪০), খোরশেদ আলীর পুত্র আব্দুল মান্নান ৫০), আব্দুল জব্বার (৪২), মো. সুজন মিয়া (৩৮), আব্দুল মান্নানের স্ত্রী শারমিন আক্তার (৩৮) ও সুমন মিয়ার স্ত্রী আছমা বেগম (২৮)।
আব্দুল হান্নানের স্ত্রী তাসলিমা আক্তার জানান, তার শ্বশুড় হারুন অর রশিদ ও তার ভাই খোরশেদ আলীর পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। খোরশেদ আলীর সন্তানরা ৪৫ শতাংশ জমির মধ্যে সড়ক সংলগ্ন সাড়ে ২২শতাংশ জমি দখলে নিয়েছে। তাদের জমির পিছনে এখন আমার শ্বশুড় হারুন অর রশিদের জমি দেয়া হয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তাদেরকে না জানিয়ে খোরশেদ আলী তার সন্তানদেরকে সড়কের সাথে চৌহুদ্দি উল্লেখ করে দলিল করে দিয়েছেন। এ দলিল এবং পরবর্তীতে আমাদের না জানিয়ে জমাখারিজ করা সম্পূর্ণভাবে অবৈধ এবং বেআইনী।
এ প্রসঙ্গে খোরশেদ আলীর পুত্র সুজন মিয়া জানান, আমার বাবা-চাচারাই আমাদেরকে রাস্তার সাথে জমি দিয়েছে। পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন যাবত সড়কেই সাথে বসবাস করে আসছি। সম্প্রতি কাজকর্ম করতে গেলে বাধা দেয়ায় এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেয়া হয়। তিনি আরও জানান, তার বাবা তাদের ৩ভাইকে সড়কের পাশে সাফকাওলা করে লিখে দিয়েছে। তারপরে জমাখারিজও করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান জানান, জমিসংক্রান্ত বিরোধের ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়েছিলো। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।