আজ মঙ্গলবার ২১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
গৌরীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার- পরিচ্ছন্নতা অভিযান গৌরীপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত গৌরীপুরে থানার পাশে মাদক নিয়ে ধরা খেলো যুবক, ভ্রাম্যমান আদালতের ১৫দিনের সাজা প্রবীণ নাগরিকদের আর্থিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে-প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ ঘোষিত আ’লীগের অপতৎপরতা ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গৌরীপুরে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল গৌরীপুরে রবীন্দ্র- নজরুল স্মরণ গৌরীপুরে সাকিব হত্যাকাণ্ডের জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মহাসড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ গৌরীপুরে একাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের নবীনবরণ গৌরীপুরে আজিমুশ্বান ইসলামী দাওয়াতী জলসা রাবি বিএনসিসি’র প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের কন্যা অপর্না
প্রধান প্রতিবেদক || দৈনিক বাহাদুর
  • প্রকাশিত সময় : ফেব্রুয়ারি, ১, ২০২৬, ২:৫১ অপরাহ্ণ




যৌন অপরাধী ও ধনাঢ্য ব্যবসায়ী জেফরি এপস্টেইনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নথিপত্র বা ‘এপস্টেইন ফাইলস’ বর্তমানে মার্কিন রাজনীতিতে এক বিশাল বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

Advertisement

গত কয়েক মাস ধরে এই ফাইলগুলো প্রকাশের দাবিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হচ্ছিল, এমনকি খোদ রিপাবলিকান পার্টির ভেতর থেকেও স্বচ্ছতার দাবি ওঠে। দীর্ঘ সময় এসব গোপন নথি প্রকাশের বিরোধিতা করার পর অবশেষে সুর নরম করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রে মানি-লন্ডারিং ও যৌন অপরাধে জড়িত জেফ্রি এপস্টেইন সংক্রান্ত তদন্তের সঙ্গে যুক্ত ৩০ লাখের বেশি পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করা হয়েছে।

জেফরি এপস্টেইনের অপরাধের ইতিহাস বেশ দীর্ঘ ও বিতর্কিত। ২০০৮ সালে ফ্লোরিডার পাম বিচে নিজের বাড়িতে এক কিশোরীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে প্রথম তদন্ত শুরু হয়। সে সময় প্রভাব খাটিয়ে প্রসিকিউটরদের সাথে একটি আপিল চুক্তির মাধ্যমে বড় সাজা থেকে বেঁচে গেলেও তাকে যৌন অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।

তবে ১১ বছর পর পুনরায় অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের দিয়ে যৌন ব্যবসার নেটওয়ার্ক চালানোর অভিযোগে তিনি গ্রেফতার হন। বিচারের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় ২০১৯ সালে কারাগারে রহস্যজনকভাবে তার মৃত্যু হয়, যাকে পরবর্তীতে আত্মহত্যা বলে ঘোষণা করা হয়েছিল। এই দীর্ঘ তদন্ত প্রক্রিয়ায় ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য এবং এপস্টাইনের বিভিন্ন সম্পত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নথিপত্র ও ইমেইল সংগ্রহ করা হয়, যা এখন ‘এপস্টেইন ফাইলস’ নামে পরিচিত।

এই নথিপত্র নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম জড়ানোর মূল কারণ হলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন তথ্য ও ব্যক্তিগত যোগাযোগ। যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, ২০০৮ সালে এপস্টেইন প্রথমবার দোষী সাব্যস্ত হওয়ার আগেই তিনি তার সাথে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন এবং তার কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি জানতেন না।

তবে হাউস ওভারসাইট কমিটির ডেমোক্র্যাটরা সম্প্রতি এপস্টেইন ও তার সহযোগী গিসলাইন ম্যাক্সওয়েলের মধ্যে আদান-প্রদান হওয়া কিছু ইমেইল প্রকাশ করেছেন। সেখানে ২০১১ সালের একটি ইমেইলে ট্রাম্পের নাম উল্লেখ থাকতে দেখা যায়।

প্রকাশিত ইমেইলগুলোতে দেখা যায়, এপস্টেইন ম্যাক্সওয়েলকে লিখেছিলেন যে জনৈক ভিক্টিম তার বাড়িতে ট্রাম্পের সাথে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন। হোয়াইট হাউস নিশ্চিত করেছে যে ওই ভিক্টিম হলেন ভার্জিনিয়া গিফ্রে।

তবে মজার ব্যাপার হলো, মৃত্যুর আগে গিফ্রে নিজেই জানিয়েছিলেন যে তিনি ট্রাম্পকে কোনো অপরাধমূলক কাজে লিপ্ত হতে দেখেননি। প্রকাশিত এই ফাইল বা ইমেইলগুলোতে ট্রাম্পের সরাসরি কোনো অন্যায়ের প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ট্রাম্পও বারবার দাবি করে আসছেন যে এপস্টেইনের অন্ধকার জগতের সাথে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। মূলত এই ফাইলগুলো জনসমক্ষে এলে আরও কত প্রভাবশালীর নাম বেরিয়ে আসবে, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

সূত্র: বিবিসি।




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩
৪৫৭৮৯১০
১১১১৩৪১৫১৬১
৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৯৩০৩১