ময়মনসিংহ জেলা বিএনপির উদ্যোগে আগামী ২৩ অক্টোবর ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র কর্মী সমাবেশ ডাকা হয়েছে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে বিএনপির রাজনীতি। স্থানীয় নেতাদের উপস্থিতিতে প্রতিদিনই হচ্ছে গণ সংযোগ, লিফলেট বিতরণ, কেন্দ্রিয় নেতাদের আগমন উপলক্ষে মিছিল সমাবেশ।
ওই সমাবেশকে সামনে রেখে চাঙা উঠছে বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে তৃণমূলেও। ২৩ অক্টোবর সমাবেশের আগে ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত নেতা কর্মীদের উজ্জীবিত করার লক্ষে ধারাবাহিক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন নেতারা।
এদিকে সমাবেশের দিনণ বার বার পেছানো ও ভেন্যু নির্ধারণ করতে জঠিলতার মাধমেই বিএনপি তিনটি সম্ভাব্য স্থান সামনে রেখে তৎপরতা চালাচ্ছিল। ওই সমাবেশে স্মরণকালের সর্বাধিক জনসমাগম ঘটানোর প্রত্যাশা নেতারা। নিত্যপণ্য ও জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন স্থানে গুলিতে পাঁচ নেতা নিহত হওয়ার প্রতিবাদসহ বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দেশব্যাপী গণ আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিএনপি’র কর্মী সমাবেশ বলেন জানান স্থানীয় নেতারা। গণ আন্দোলনকে বেগবান করতে এই কর্মী সমাবেশের মাধ্যামে উপজেলা বিএনপির আগামী নেতৃত্ব নির্ধারণ হতে পারে বলেও জানিয়েছেন বিএনপির একাদিক নেতা।
এ উপজেলায় বিএনপির রাজনীতিকে এগিয়ে নিতে মাঠ পর্যায়ে নেতাকর্মীদের সাথে ব্যাপক যোগাযোগ করে যাচ্ছেন সভাপতি পদে সাবেক এমপি শাহ নুরুল কবির শাহীন ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নাম উঠে আসছে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম হারুন অর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আমিরুল ইসলাম ভূঞা মনি, প্রতিষ্ঠাকালীন উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাভোকেট আব্দুর রাজ্জাক ভূঞার ছেলে উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আতিকুর রাজ্জাক ভূঞা হীরা ও উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন খোকন।
সমাবেশ সফল করতে বিএনপিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত প্রস্তুতি সভাও হয়েছে। ওই কর্মী সমাবেশ সর্বাত্মক সফল করার আহ্বান জানিয়ে ইউনিয়ন পর্যায়ে মিছিল হচ্ছে নিয়মিত। এরপর বিএনপি জোরেশোরে সমাবেশের প্রস্তুতি শুরু করলেও কোথায় সমাবেশ হবে তা চূড়ান্ত করতে হিমশিম খাচ্ছেন দলটির নেতারা।
এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম হারুন অর রশিদ বলেন, সমাবেশ হবে মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে। এতে ব্যাপক মানুষের সমাগমের আশা করছেন তারা। এ কারণে তিনটি স্থানের নাম উল্লেখ করে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে আবেদন করার পর ঈশ্বরগঞ্জ ইউপির পাশে জয়পুর এলাকায় সমাবেশের প্রস্থুতি নেয়া হচ্ছে। অন্যান্য গুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হওয়ায় অনুমোন পায়নি।