আজ মঙ্গলবার ২১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
গৌরীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার- পরিচ্ছন্নতা অভিযান গৌরীপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত গৌরীপুরে থানার পাশে মাদক নিয়ে ধরা খেলো যুবক, ভ্রাম্যমান আদালতের ১৫দিনের সাজা প্রবীণ নাগরিকদের আর্থিক নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে-প্রধানমন্ত্রী নিষিদ্ধ ঘোষিত আ’লীগের অপতৎপরতা ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে গৌরীপুরে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল গৌরীপুরে রবীন্দ্র- নজরুল স্মরণ গৌরীপুরে সাকিব হত্যাকাণ্ডের জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মহাসড়কে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ গৌরীপুরে একাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের নবীনবরণ গৌরীপুরে আজিমুশ্বান ইসলামী দাওয়াতী জলসা রাবি বিএনসিসি’র প্রথম নারী সিইউও গৌরীপুরের কন্যা অপর্না
||
  • প্রকাশিত সময় : ফেব্রুয়ারি, ১০, ২০২০, ১:১১ অপরাহ্ণ




রাংসায় সেতু নেই, ছয় গ্রামের ভরসা বাঁশের সাঁকো

বাহাদুর ডেস্ক:

ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার রাংসা নদীতে পাকা সেতু না থাকায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন ছয় গ্রামের বাসিন্দারা। নদী পারাপারে গ্রামবাসীর একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। কিন্তু সংস্কারের অভাবে সাঁকোটি নড়বড়ে হয়ে যাওয়ায় যে কোনো মুহূর্তে ভেঙে পড়ে দুর্ঘটনার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বাঁশের সাঁকোটির কাছাকাছি নদী তীরবর্তী এলাকায় একটি মাদরাসা ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। এই দুটি প্রতিষ্ঠানে প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী আছে। কিন্তু নদীতে সেতু না থাকায় দুটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ছাড়াও অন্যান্য স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীকে ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হতে হয়।

তারাকান্দা উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের গ্রামের ভেতর দিয়ে বয়ে গেছে রাংসা নদী। কিন্তু নদীর ওপর পাকা সেতু না থাকায় গোয়ালকান্দি, হিরারপুর নারায়ণপুর, নন্দীপুর, দর্জিগাতি ও বনপলাশিয়াসহ দুই পাড়ের ছয় গ্রামের বাসিন্দা ও স্কুল-কলেজ-মাদরাসা শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হতে হয়। ২০০৩ সালে সরকারি অর্থায়নে গোয়ালকান্দি ও হিরারপুর গ্রামের সংযোগস্থলে নদীর ওপর পাকা সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। ওই সময় নদীর সেতুর পিলার নির্মাণও করা হয়। কিন্তু পরবর্তীতে সেতুর নির্মাণ কাজ থেমে যাওয়ায় রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে পিলারের ওপর বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দেয়া হয়।


নে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, রাংসা নদীর ওপর নির্মিত বাঁশের সাঁকোটি সংস্কারের অভাবে নড়বড়ে হয়ে গেছে। ভেঙে পড়ছে সেতুর পাটাতনে থাকা শুকনো বাঁশের অংশ। কিছু কিছু জায়গায় পাটাতনের বাঁশ সরে গিয়ে ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়েছে। এ অবস্থায় চরম ঝুঁকি নিয়ে সাঁকো পার হচ্ছেন গ্রামবাসী ও স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। স্থানীয় রিকশা, ভ্যান, সাইকেল ও মোটরসাইকেল আরোহীরা সেতুর সামনে এসে নেমে হেঁটে গাড়ি নিয়ে সাবধানে সাঁকো পার হচ্ছেন।


রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মদন চন্দ্র সিংহ রায় বার্তা২৪.কম-কে বলেন, সেতুর অভাবে ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো হয়ে নদী পার হতে হয়। সাঁকোটি নড়বড়ে হওয়ায় মুমূর্ষু রোগী ও গর্ভবতী নারীদের জরুরি প্রয়োজনে হাসপাতালে নিতে গিয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হয়। অচিরেই এখানে পাকা সেতু নির্মাণ প্রয়োজন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারাকান্দা উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মো. শফিউল্লাহ বার্তা২৪.কম-কে বলেন রাংসা নদীর ওপর সেতু নির্মাণের একটি প্রস্তাব ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পেলেই সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হবে।




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩
৪৫৭৮৯১০
১১১১৩৪১৫১৬১
৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৯৩০৩১