মা
অনামিক সরকার
………………………….
,আচ্ছা মা কেমন আছো তুমি,
আমি ভরা সংসারে
শূন্য হৃদয়ে তোমায় ভাবি বার বার।
কেমন করে ভালো থাকার অভিনয় টা করতে,
আমাদের ভালো রাখতে।
মা, একটু জানতে ইচ্ছে করে
কি করে এতসব পারতে
তোমার মমতায় স্নেহ ভালোবাসায়
এতটুকু ক্লান্তিবোধ দেখতে পেতাম না কেন?
তুমি সেই ছোট বেলার মত
সেই ছোট মেয়েটাকে
একটু অাদর করেদিও?
যেন মেয়েটির সকল
ব্যাথা বেদনা সেরে যায়।
আচ্ছা মা,
কতদিন আমার মাথায়
বিলি কাটোনি বলো তো?
আচড়িয়ে দাও নি কেশগুচ্ছো
বড্ড এলোমেলো থাকি
সেই ছোট বেলার মত।
তোমাকে অন্য কারো মাথায়
হাত বুলাতে দেখলে
আমি রাগে হিংসায় জ্বলতাম।
তোমার বকুনিতে ভয় পেয়ে
গুছিয়ে রাখতাম আমাকে
আমার সকল কিছুকে।
মাগো,
জনারণ্যে বাংলাদেশের মাটিতে
আজকাল তোমার ভালোলাসা খুজে বেড়াই,
কেমন করে অতল হয়ে যাচ্ছি
পরিচিতি অপরিচিতির মাঝে,
ব্যাথা হয়, তবুও
হৃদয়ে অনুভূতি সংযোগ হয় না।
কারন, তোমার আমার মাঝে
শুধু সীমান্ত!!!! “””
মা!!!
কতদিন তোমার শরীরের ঘ্রান নেই না
তোমায় অজস্র দিন না পাওয়ায়
মনে হয়???
নদী আছে কিন্তু স্রোত নেই
বায়ু আছে কিন্তু বেগ নেই
জীবন আছে শুধু প্রবাহ নেই।
আচ্ছা মা,
আমার তো কোন কিছুর অভাব নেই
শুধু তোমার অভাব ছাড়া
তবুও এতসব থেকেও
মনে হয় শূন্যতায় বেঁচে আছি।
আজ আমি মা হয়ে বুঝেছি
সন্তান প্রসবের যন্ত্রণা।
মা গো,
আজ আমি স্বার্থক
তোমার ধন্যি মেয়ে হয়ে
সন্তান লালনে পাকা গৃহিণীতে
মায়ের ভুমিকায় যথার্ত।
মাগো তুমি সব কিছুর উর্ধ্বে।