বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকার জনগণকে দেওয়া অঙ্গীকার লঙ্ঘন করেছে। জনগণের অধিকার আদায়ে আর এক চুলও ছাড় নয়।
জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে অতীতেও সন্ত্রাস-হানাহানি, বিশৃঙ্খলা ছিল। কিন্তু জুলাইয়ে এত লোক প্রাণ দিলো, আরও কেন রক্ত দিতে হবে? আমরা আশা করেছিলাম, রক্ত দেওয়াটা ওখানেই শেষ হবে। রাজনীতির ময়দানে সুস্থতা ফিরে আসবে। রাজনীতি হবে ভালোবাসা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার প্রতীক। আমার আদর্শ আমার কাছে। আমি যেমন আমার আদর্শকে ভালোবাসি, আরেকটা লোক তার অধিকারকে ভালোবাসবে। এটা তার নাগরিক অধিকার। এখানে মুখ চলবে, হাত চলবে কেন? মুখ চলবে ভদ্রভাবে।
উপনির্বাচনে সহিংসতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, গত ৯ এপ্রিল জাতীয় সংসদের শেরপুর এবং বগুড়ায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ দুই জায়গায় আমরা আশা করেছিলাম বিগত নির্বাচন যেভাবেই হোক, এখন একটা সরকার হয়েছে। আমরা কেউ বসেছি সরকারি দলে, কেউ বসেছি বিরোধী দলে। এখন দেশটা সুন্দরভাবে এগিয়ে যাক, কিন্ত এ দুটি নির্বাচনেও ব্যাপক অনিয়ম, বিভিন্ন ধরনের জালিয়াতি, সহিংসতা এবং ক্ষেত্র বিশেষে শুধু সহিংসতা না, ভয়াবহ সন্ত্রাসে রূপ নিয়েছে। এ রকমই একটা বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটেছে শেরপুর-৩ আসনে। আহতদের অনেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত রোগী এবং অব্যবস্থাপনার চিত্রই বলে দেয়, জনগণের স্বাস্থ্য সেবার প্রতি অবিচার করছে সরকার।
এ সময় ময়মনসিংহ-৬ জামায়াত থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মু. কামরুল হাসান মিলন, জেলা জামায়াত আমির আবদুল করিম, মহানগর জামায়াত আমির কামরুল এহসান এমরুলসহ জেলা ও মহানগর জামায়াতের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।