আজ রবিবার ৮ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
বাংলাদেশ ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে.. ড. এ টি এম বদরুজ্জামান এসিল্যান্ড সুনন্দাকে বিদায় সংবর্ধনা দিল গৌরীপুর প্রেসক্লাব শতভাগ ফেল লক্ষিপুর দাখিল মাদরাসা ॥ পাশের চেয়ে ফেল বারগুণ! গৌরীপুরে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮১ জন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী’র সহধর্মিনীর রোগমুক্তি কামনা অনুষ্ঠানে ॥ নববধূর হাতের রঙ মোছার সময়ও বর্তমান সরকারের হয়নি গৌরীপুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়ান দিবসে আলোচনা ও সংগীতানুষ্ঠান নেত্রকোণায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে নদী ও খালপাড় রক্ষায় বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে সভা গৌরীপুরে ফুটবল আনতে গিয়ে খালের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু! দেশে আসেন, দেখা হবে রাজপথে: হাসিনাকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জুলাই পুণ:জার্গরণে গ্র্যাফিতিতে গৌরীপুর দর্শনার্থীদের ভিড়
বাসস || ঢাকা
  • প্রকাশিত সময় : মে, ১৩, ২০২৫, ১১:১৪ অপরাহ্ণ




ভূমি উন্নয়ন কর দেয়া প্রত্যেকের কর্তব্য: ভূমি উপদেষ্টা

ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, ভূমি উন্নয়ন কর দেয়া প্রত্যেক জমির মালিকের কর্তব্য। ভূমি উন্নয়ন কর দেয়া বাই চয়েজ নয়, এটা দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানীর ভূমি ভবনের সম্মেলন কক্ষে সংস্থার কর আদায় বিষয়ক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। কর্মশালায় ১৬টি মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) এজেএম সালাউদ্দিন নাগরি।

এ সময় উপদেষ্টা আরও বলেন, রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে। রাষ্ট্র পরিচালনার অন্যতম উৎস হচ্ছে কর। ভূমি উন্নয়ন কর রাজস্ব খাতের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এই কর সময়মতো নির্ধারণ ও আদায় ভূমি ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনয়ন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও সুশাসনের জন্য অপরিহার্য।

ভূমি উন্নয়ন কর দেয়ার ক্ষেত্রে আগের মত এখন আর বিড়ম্বনা নেই উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, যে কেউ যে কোনো স্থান থেকে অনলাইনে ভূমি উন্নয়ন কর দিতে পারছে। ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনা হল জমি ব্যবহারের বিপরীতে সরকারের নিকট বাৎসরিক প্রদেয় কর। ২৫ বিঘার উর্ধ্বের কোন কৃষি জমি কিংবা যে কোন পরিমাণ অকৃষি জমির (আবাসিক বা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহৃত) জন্য এর মালিককে সরকারের নিকট নির্ধারিত হারে প্রতি বৎসর এই কর প্রদান করতে হয়।

তিনি বলেন, ভূমি উন্নয়ন কর নিয়মিত আদায় করলে যে খাজনার রশিদ (প্রচলিত শব্দে যাকে দাখিলাও বলা হয়) দেয়া হয় তা মালিকানারও একটি প্রমাণ এবং এটি আদালতে গ্রহণযোগ্য।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে এপ্রিল মাস পর্যন্ত মোট ভূমি উন্নয়ন কর এর দাবি ৮২৯ দশমিক ৬২ কোটি টাকা, মোট বকেয়া ৬৭৯ দশমিক ৭৬ কোটি টাকা, হাল ১৪৯ দশমিক ৮৬ কোটি টাকা, মোট আদায় ১৪৪ দশমিক ১৩ কোটি টাকা রয়েছে। মার্চ মাসের তুলনায় এপ্রিলে ৩৪ দশমিক ৫৮ কোটি টাকা বেশি আদায় হয়েছে। আদায় বৃদ্ধি পেয়েছে ৩২ শতাংশ। মোট আদায়ের হার ১৩ শতাংশ। সবচেয়ে বেশী বকেয়া রেলপথ মন্ত্রণালয়ে।

সভায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সালেহ আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত উপস্থিত ছিলেন ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান মুহম্মদ ইব্রাহিম, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মো. সাইদুর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিববৃন্দ ও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১