ময়মনসিংহের গৌরীপুরের ৩নং অচিন্তপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম খান (৪০) এর হাত-পা ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। মুখুরিয়া তালে হোসেন খান উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক পদে চাকরি সংক্রান্ত ঘটনায় প্রতিপক্ষরা মঙ্গলবার এ হামলা করে।
এ ঘটনায় তার ভাই মো. নজরুল ইসলাম খান বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেন গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাহমুদুল হাসান। তিনি জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
অচিন্তপুর ইউনিয়নের মুখুরিয়া গ্রামের মৃত খোরশেদ আলী খানের পুত্র মো. নজরুল ইসলাম খান জানান, তার ভাইয়ের স্ত্রীর তালে হোসেন খান উচ্চ বিদ্যালয়ে পিয়ন (অফিস সহায়ক) পদে চাকরীর করেন। এ নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছিলো। এ বিরোধের জেরে মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে সাবেক ইউপি সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম খানের ঘরে প্রবেশ করে দুর্বৃত্ত¡রা হামলা চালিয়ে সাবেক মেম্বার মো. শফিকুল ইসলাম খানের হাত, পা, কোমড় ভেঙে দেয়। তাকে প্রথমে গৌরীপুর পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বর্তমানে মচিমহায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। শফিকুল ইসলাম খান জানান, আজিজুল ইসলাম গংদের সঙ্গে দীর্ঘদিন যাবত বিরোধ চলে আসছে, এর আগেও আমার দোকানে হামলা ও ভাংচুর করে।
এ ঘটনায় মো. নজরুল ইসলাম খান বাদী হয়ে মো. আজিজুল ইসলাম, মো. সারোয়ার মিয়া, মো. নাঈম মিয়া, মো. মোমেন মিয়া, আব্দুল হক, মো. জামাল মিয়া, আবু তালেব, মো. মোজাম্মেল হক, মো. ইস্কান্দার, মোছা. মোর্শেদা বেগমকে আসামী করে অভিযোগ দায়ের করেন।
এ প্রসঙ্গে মো. আজিজুল ইসলাম জানান, শফিকুল ইসলাম খানের সঙ্গে তার কোনো বিরোধ নেই। বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে খারাপ আচরণের প্রতিবাদে করায় তিনি আমার প্রতি ক্ষিপ্ত হয়েছেন। আমার স্ত্রী তালে হোসেন খান উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তাকে নিয়ে স্কুলে যাওয়ার সময় সেই (শফিকুল ইসলাম খান) আমার ওপর হামলা চালায়। মূলত দ্ব›দ্ব হয়েছে এ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ইমতিয়াজ সুলতান জনির সঙ্গে। জনি জানায়, বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোজাম্মেল হক স্যারকে অফিস কক্ষে বসে এই শফিক মেম্বার অশোভন আচরণ করে। আমি প্রতিবাদ করায় আমার দিকে ক্ষিপ্ত হন