দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা থেকে নেই! কুট-কৌশলও চলছে নানা ভঙ্গিমায়, প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরাও নানা ছন্দময় কথা জুড়ে দিয়ে স্ব স্ব প্রার্থীর পক্ষে কথা বলে গরম করছেন চায়ের স্টলের নির্বাচনী সংলাপ। এ আসনে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করছেন ১৩জন প্রার্থী। উপজেলার ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত নির্বাচনী আসন ১৪৮, ময়মনসিংহ-৩ (গৌরীপুর)। এ আসনে মোট ভোটার ২লাখ ৭৫হাজার ৯৮৬জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১লাখ ৩৯হাজার ১৯৯জন। মহিলা ভোটার সংখ্যা ১লাখ ৩৬হাজার ৭৮৭জন।
নৌকা প্রতীকের দলীয় আর নৌকাবঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থীর লড়াইটা ক্রমশঃ এগিয়ে যাচ্ছে। নামকাওয়াস্তে কার্যালয়বিহীন কয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনকে শোভাবর্ধন করলেও ভোটের মাঠে তারা এখনো অনুপস্থিত। তাদের কর্মী-সমর্থকদের তেমন সাক্ষাত মিলছে না। অধিকাংশ ভোটার প্রার্থীদেরও চিনেন না।
নির্বাচনী মাঠে আছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট নীলুফার আনজুম পপি, লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী জাতীয়পার্টির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান আকাশ, গোলাপফুল প্রতীকের প্রার্থী ময়মনসিংহ জেলা মৎস্যজীবী ফ্রন্টের সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির ময়মনসিংহ জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শফিউল ইসলাম লিংকন, সোনালী আঁশ প্রতীকের তৃণমূল বিএনপির প্রার্থী মো. জামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ তরীকত ফেডারেশন ময়মনসিংহ মহানগর শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ ড. বিশ^জিৎ ভাদুড়ী, নৌকা বঞ্চিত স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিম উদ্দিন আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শরীফ হাসান অনু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ সাহা, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ডা. মো. মতিউর রহমান, ময়মনসিংহ জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা নাজনীন আলম, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোর্শেদুজ্জামান সেলিম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাওহা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রমিজ উদ্দিন স্বপন।
ময়মনসিংহ জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মোস্তাফিজার রহমান তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন। জানা যায়, মোশাররফ হোসেন আজাদ জুয়েল তার নির্বাচনী প্রতীক নৌকা লিখে মনোনয়নপত্র জমা দিলেও তার সমর্থনে কোনো দালিলিক কাগজপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। অপর প্রার্থী একেএম আবদুর রফিক শতকরা ১ভাগ ভোটারের সমর্থন নিয়ে গরমিল থাকায় তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এ আসনে ১৫জনের মধ্যে ১৩জনের মনোনয়পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।