ময়মনসিংহের গৌরীপুরে রোববার (৯ অক্টোবর/২০২০) কৃষাণী শারমিন আক্তারের সাড়ে ৩লাখ টাকা মূল্যের ৪টি গরু মারা গেছে। তিনি পৌর শহরের কৃষ্টপুর মহল্লার সেলিম মিয়ার স্ত্রী।
কৃষাণী শারমীন আক্তার জানান, শুক্রবার তাদের প্রতিবেশী সাইদুল ইসলামের পুকুরে বিষ দেয়। পুকুরের চারপাশে আগাছা মতো বড় হয়ে উঠা কিছু ঘাস কেটে পাড়ে রাখেন। আমার ছেলে বায়েজিত মিয়া (১৩) জুম্মার নামাজ থেকে বাড়ি ফেরার পথে সাইদুল ইসলাম এ ঘাস আমাদের গরুকে খাওয়ার জন্য নিতে বলে। তাদের কাটা ঘাস আমার ছেলে দেয়। আমার ছেলে উৎফুল্ল হয়ে এ ঘাস এনে গরুকে খেতে দেয়। শনিবার সকাল থেকে গরু হয়ে অসুস্থ্য হতে থাকে। এরপরে শনিবার থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত গোহালের ৪টি গরু মারা যায়। এতে তার প্রায় সাড়ে ৩লক্ষ টাকা ক্ষতি হয়েছে।
তিনি দাবী করেন. পুকুরের পাড়ে ও পানিতে দেয়া কীটনাশক (বিষ) দেয়ার পর সেই ঘাস খাওয়ার কারণে আমার ৪টি গরু মারা গেছে। আমার পরিবারের একমাত্র সম্বল ছিলো।
পুকুরের মালিক মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, ফিসারীতে ওইদিন গ্যাসের ডোজ আর উকুন নাশক ওষুধ দেয়া হয়েছিল। গরু কি কারণে মরছে আমি বলতে পারবো না।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নাজিমুল ইসলাম বলেন, মৃত গরুগুলোর রক্ত, কান ও শরীরের বিভিন্ন অংশের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এই মুর্হূতে বলা যাচ্ছে না। সংগৃহিত আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে।
এ ঘটনার শারমীনের দেবর মো. ফারুক মিয়া (৩০) বাদী হয়ে গৌরীপুর থানার অভিযোগ দায়ের করেন। গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ খান আব্দুল হালিম সিদ্দিকী জানান, এ ঘটনার তদন্ত চলছে।