ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের ধুরুয়া আগপাড়া গ্রামে মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি/২০২২) গাছকাটা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় গুরুত্বর খন্দকার তাজমহল হোসেন (৬৩), খন্দকার গেনু মিয়া (৭৫), মোছা. রোকিয়া খাতুন (৪৫), খন্দকার রায়হান হোসেন (২৩), সাদেক মিয়া (৩৮), আপেল মিয়া (৩৫), বিউটি আক্তার (৩০) আহত হন। তাদের মধ্যে খন্দকার তাজমহল হোসেন (৬৩) ও মোছা. রোকিয়া খাতুন (৪৫), সাদেক মিয়া (৩৮), বিউটি আক্তার (৩০) কে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় বুধবার (৯ ফেব্রুয়ারি/২০২২) গৌরীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন আহত তাজমহল হোসেনের পুত্র খন্দকার রায়হান হোসেন। এ প্রসঙ্গে গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ খান আব্দুল হালিম সিদ্দিকী জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত চলছে।
অভিযোগ সূত্র ও খন্দকার রায়হান হোসেন জানান, মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি/২০২২) অভিযোগ সূত্র ও খন্দকার রায়হান হোসেন জানান, মঙ্গলবার (৮ ফেব্রুয়ারি/২০২২) প্রতিবেশী মো. আপেল মিয়া (৩৫), মো. সাদেক মিয়া (৩৮)গংরা আমাদের রোপিত রেন্ট্রি গাছ কাটার চেষ্টা চালায়। এসময় গাছ কাটতে বাধা দিলে আমাদের বসতবাড়িতে হামলা-ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। তাদের হামলায় তাজমহল হোসেন (৬৩), খন্দকার গেনু মিয়া (৭৫), খন্দকার রায়হান হোসেন, মোছা. রোকিয়া খাতুন (৪৫) কে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগে চিকিৎসার জন্য আনা হয়। তাদের মধ্যে খন্দকার তাজমহল হোসেন (৬৩) ও মোছা. রোকিয়া খাতুন (৪৫) শারীরিক অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদেরকে মচিমহায় প্রেরণ করেন। বর্তমানে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভাংচুর ও লুটপাট করিয়া প্রায় ৫লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করে।
অপরদিকে মো. আপেল মিয়া জানান, তার স্ত্রী নির্বাচনে ফেল করার কারণে তার নিজস্ব ভূমিতে রোপিত গাছ বিক্রি করতে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন বাঁধা দেয়। তাদের হামলায় তিনি নিজে, তার ভাই ও ভাবী গুরুত্বর আহত হন। ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ সত্য নয়।