ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মারুফ এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার ভিডিপি প্রতিদিন মাঠে কাজ করছেন। তারপরেও এক শ্রেণির ব্যবসায়ী ও সুবিধাভোগী প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতি কভিড-১৯ দুর্যোগকে বিপদজনক পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসীর মন্তব্য।
দোকানীর লুকোচুরি বন্ধ করতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মারুফ ইতোমধ্যে কয়েকটি দোকান চিহ্নিত করে এসব দোকানের ভিতরের সার্টার থেকে দোকান মালিকদের আটক ও জরিমানাও করেছেন। তারপরেও থামছে না লুকোচুরি!।
অপরদিকে ঈদের ছুটি আর লকডাউনকে এক শ্রেণির মানুষ উৎসবে মেতে উঠেছেন, শনিবার গৌরীপুর পৌরশহরের বালুয়াপাড়া, স্টেশনরোড মোড় ও পাটবাজার মোড়ের সিংহভাগ অটোরিকশার যাত্রী উপঢৌকন নিয়ে যাচ্ছিলেন আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে বেড়াতে। তাদের ঢলও থামানো যাচ্ছে না।
এদিকে একশ্রেণির তরুণ-যুবকরাও মোটর বাইকে প্রতিদিন বেড়িয়ে পড়ছেন ঘুরতে। গৌরীপুর সরকারি কলেজ ক্যাম্পাস, গৌরীপুর আরকে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও গৌরীপুর রেলস্টেশন থেকে বাসাবাড়ি পর্যন্ত রেললাইনে ছিলো জনতার উৎসব।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও মুঠোফোনে দেয়া এলাকাবাসীর মন্তব্য, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় যানবাহনের লুকোচুরি এবং সাধারণ মানুষের লডডাউন ভাঙ্গার প্রবণতা বন্ধ না হলে ডেকে আনতে পারে সর্বনাস। প্রশাসনের কঠোরতার সঙ্গে সাধারণ মানুষকেও সচেতন হতে হবে-এমনটাই দাবী এলাকাবাসী।