মোস্তাফিজুর রহমান বুরহান, স্টাফ রিপোর্টার :
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে রোববার (১৮ জুলাই/২০২১) ব্যাংক ও হাট-বাজারে ছিলো না স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব, সবস্থানে ছিলো উপচেপড়া মানুষের ভিড়।
সরজমিনে গৌরীপুর সোনালী ব্যাংক লিমিটেডে দেখা যায়, প্রত্যেকটি ক্যাশ কাউন্টারের সামনে দীর্ঘলাইন। ব্যাংকের ভিতরে তিলধারণের ঠাঁইও ছিলো না। বিক্ষুব্দ গ্রাহক আলী আজগর বলেন, এমনস্থানে ব্যাংক হতে পারে না। ভিতরে জেলখানার মতো গাদাগাদি করে দাঁড়াতে হচ্ছে। মানুষ লাইনে দাঁড়াবে এমন ঠাঁইও নেই। আরেক সিদ্দিকুর রহমান জানান, দুই ঘন্টা ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। সামনে কেউ এগুচ্ছে এমনটা দেখা যায়নি। এদিকে কিছুদিন পূর্বে এ ব্যাংকের এক কর্মকর্তারও করোনা পজেটিভ আসে। এর প্রসঙ্গে উজ্জল চন্দ্র রবিদাস বলেন, ব্যাংকের কর্মকর্তাগণও জীবনের ঝুঁকিতে রয়েছেন। এ দৃশ্য দেখে হতাশ মো. আল আমিন। তিনি বলেন, মনে হচ্ছে করোনা এখান থেকে পালিয়েছে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. মহসীন হোসাইন বলেন, এই ব্যাংকের জন্য এ বিল্ডিং উপযোগী নয়। বিক্ষুব্দ গ্রাহকরা এ সময় অবিলম্বে ব্যাংকের স্থান পরিবর্তনের দাবি জানান। এ প্রসঙ্গে ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক শারফুল আজিজ জানান, ব্যাংকের ভিতরে গ্রাহকদের নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। স্থান কম গ্রাহক বেশি, তারপরেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রাহকদের সর্বোচ্চ সেবাদানের চেষ্টা করছি।
এদিকে জনতা ব্যাংক লিমিটেডে তেমন ভিড় পরিলক্ষিত হয়নি। তবে ছিলো না স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব। শনিবার ছিলো গৌরীপুরে কুরবানীর হাট। গৌরীপুর আর.কে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে মাঠে গোহাটায় গিয়ে দেখা যায়, সামাজিক দুরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি নেই। নেই তদারকির কোন ব্যবস্থা। ইজারাদারদের দেয়া কোনশর্তই পালন করেননি। স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী নেই। অপরদিকে গৌরীপুরে রোববার কাপড়ের বিপনী বিতানগুলো ও কসমেটিকসের দোকানগুলোতেও ছিলো উপচেপড়া মানুষের ভিড়। তবে ক্রেতাদের সিংহভাগ মাস্ক পড়েননি।