এক সময় মানুষের জীবনের দখল
বেহাত হলে শুরু হলো যুদ্ধ
রোদের মালিকানা সংক্রান্ত যুদ্ধ,
এবং বিকট শব্দে নেমে এলো আঁধার।
এই আঁধারে ক্যাকটাস বনের ভেতর
তোমার সাথে আমার প্রথম দেখা হলো
বিনিময় হলো হাসি
বিনিময় হলো উষ্ণতা,
অরণ্যের পথে আমরা হাঁটতে শুরু করলাম
তুমি বললে, রোদ-বৃষ্টি-ঝড়ে প্রকৃতির বদল হচ্ছে
আমি বললাম, আমাদের জীবন যেমন।
সময়ের স্রোতে, যুদ্ধের মাঠে
অনুভূত হলো জীবন সুন্দর
বনের আঁধারেও সুখ অনুভূত হলো
সুখকে মনে হলো অঝর বৃষ্টিধারা
যন্ত্রণাকে উত্তাল সমুদ্র-ঢেউ,
সব খুব স্পষ্ট হয়ে দেখা দিলো।
অন্ধকারে শ্বাপদের ভিড়ে হাঁটা
অতীব কষ্টের ও অনিরাপদ
তবু হাঁটতে হাঁটতে ঘাম ঝরালাম
দেখলাম ঘামের ফোঁটা জমে জমে পাহাড়
এবং কৃত্রিম পাহাড়টার গা বেয়ে
নীচে গড়াচ্ছে বিন্দু বিন্দু জল
আমাদের তৃষ্ণা মেটানোর উপকরণ।
তুমি আমার কাঁধে হাত রেখে
তর্জনী উঁচিয়ে বললে-
ঐ দেখো সূর্যের দিকে কবিতার মুখ
সুর স্বপ্ন বুনছে বলাকা-পাখায়।
অতঃপর
আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে
এগুতে থাকলাম জনপদের দিকে।
ওখানে আমাদের নতুন ঘর হলো
নিষিক্ত হলো আনন্দকোষ কোমল জঠরে
বহু জটিলতা অতিক্রম করে
অবশেষে ঝিলে ফুটলো পদ্মফুল।
আমাদের ওপর এবার
নতুন অনেক শর্ত আরোপিত হলো
শর্ত মানতে মানতে ক্লান্ত
যখন দাঁড়ালাম বিচ্ছেদের সীমানায়
তুমি সাহস দিয়ে বললে, ভয় নেই
জনপদে এখন আমাদের অনেক সাথি।
//আর/জিরো/ফোর//