আজ মঙ্গলবার ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
গৌরীপুরে অচিন্তপুর ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সমাবেশে সদস্য সচিব প্রার্থী কামরুজ্জামান মাসুদের ব্যাপক শো-ডাউন গৌরীপুরে নিরাপদ সড়ক চাই দিবস উদযাপিত সাংবাদিক আলিফকে গুলি করে হত্যা প্রতিবাদে গৌরীপুরে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ গৌরীপুরে মণ্ডপে মণ্ডপে মিষ্টি নিয়ে বিএনপি যুবদল ছাত্রদল গৌরীপুর দুর্গোৎসবে প্রতিমা বিসর্জনে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে সঞ্জিব চৌহানের মৃত্যু ময়মনসিংহে বিজয়ার শোভাযাত্রা গৌরীপুর শারদীয় দুর্গোৎসবে বিজয়া গৌরীপুর পৌর শহরের রাইসমিল পুজামন্ডপে সিঁদুরখেলা প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে মর্ত্যলোক থেকে বিদায় নিয়েছেন দেবী দুর্গা গৌরীপুরে প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন এমপি’র মন্ডপ পরিদর্শন
||
  • প্রকাশিত সময় : জুলাই, ৬, ২০২১, ৮:০৭ অপরাহ্ণ




কলেজের নিরাপত্তারক্ষী এখন অধ্যক্ষ

বাহাদুর ডেস্কঃ এক সময়ে যে কলেজে মালির কাজ করতেন, ছিলেন নিরাপত্তারক্ষী দায়িত্বে, সেই কলেজেরই অধ্যক্ষ হয়েছেন এক ব্যক্তি। তার জীবনের গল্পটা অনেকটা সিনেমার মতো মনে হলেও অধ্যক্ষ হওয়ার পেছনে তার সংগ্রামের কাহিনি উদ্ধুদ্ধ করার মতোই।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার’র প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ব্যক্তির ঈশ্বর সিংহ বদগাহ। ভারতের ছত্তীসগঢ়ের বৈটলপুরের একটি প্রত্যন্ত গ্রামে তার জন্ম। গ্রামের স্কুলেই পড়াশোনা করে বেড়ে ওঠেন। পরিবারে আর্থিক অনটন ছিল নিত্যসঙ্গী। ফলে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনার পরই সংসারের জোয়াল কাঁধে তুলে নিতে হয় তাকে।
চাকরির সন্ধানে বৈটলপুরের গণ্ডি ছাড়িয়ে পাড়ি দিয়েছিলেন ভিলাই শহরে। সেখানে প্রথমে একটি কাপড়ের দোকানে মাসিক ১৫০ টাকা বেতনে কাজ নেন তিনি। কিন্তু প্রতকূল পরিস্থিতি তার পড়াশোনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছা দমাতে দেননি। ফলে কাজ করতে করতেই শহরের কল্যাণ কলেজে ভর্তি হন।
কলেজে ভর্তি হওয়ার বেশ কয়েক দিন পর কলেজেরই বাগানে মালির কাজ নেন। চাষি পরিবারের ছেলে, ফলে গাছগাছালি সম্পর্কে ভালোই ধারণা ছিল ঈশ্বরের। বেশ কিছু দিন মালির কাজ করার পর, কলেজে চৌকিদারের কাজও জুটিয়ে নেন। মাঝে মাঝে কলেজের নির্মাণকাজে সুপারভাইজারের কাজেও সহায়তা করতে শুরু করেন।
নির্মাণকাজে ইশ্বরের দক্ষতা দেখে কলেজ কর্তৃপক্ষ খুশি হয়। তাকে কলেজের সব নির্মাণকাজের সুপারভাইজারের দায়িত্ব দেওয়া হয় পূর্ণ সময়ের জন্য। ইতিমধ্যেই ১৯৮৯ সালে স্নাতক শেষ করেন তিনি। তাকে কলেজে স্থাপত্যের শিক্ষকতার জন্য আংশিক সময়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি তিনি এমএড, বিপিএড এবং এমফিল করেন। এরপর তাকে সহকারী অধ্যাপকের পদে নিয়োগ করা হয়। যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাই তার অধ্যক্ষ হওয়ার পথ মসৃণ করে দেয়।
ঈশ্বর সিংহ বদগাহ বলেন, ‘একজন মালি থেকে অধ্যক্ষ হওয়ার পথটা মোটেই সহজ ছিল না। এর পেছনে নিজের যেমন খিদে ছিল, তেমনই কলেজের প্রত্যেক শিক্ষক এবং পড়ুয়াদের সহযোগিতা এই পথকে একটু একটু করে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে।’ ১৯৮৯ সালে কলেজের মালির কাজ করতেন ঈশ্বর। ২০০৫ সালে সেই কলেজেরই অধ্যক্ষ হন তিনি।




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩
৪৫৭৮৯১০
১১১১৩৪১৫১৬১
৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৯৩০৩১