আজ বৃহস্পতিবার ২৫শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৮ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
গৌরীপুরে সুইচ গেইটে পানিবন্দী ৪ গ্রামের ফসল, কৃষকদের ক্ষোভ চরমে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশে টানা দুই দিন কোনো লোডশেডিং হয়নি: বিদ্যুৎ বিভাগ নেত্রকোনায় পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন গৌরীপুরে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত আপনারা ভাববেন, আপনারা একজন শিক্ষক, কোনো দলের নেতা নন :ডেপুটি স্পিকার ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতির সব পদে বিএনপিপন্থিরা বিজয়ী লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগ দিতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী গৌরীপুর মহিলা কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষে পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা গৌরীপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষ্যে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা
||
  • প্রকাশিত সময় : আগস্ট, ২৬, ২০২০, ১:১৫ পূর্বাহ্ণ




গৌরীপুরে মূল সড়ক ও হাটের স্থান ব্যবসায়ীদের জবরদখল!

মোস্তাফিজুর রহমান বুরহান, স্টাফ রির্পোটার ঃ
মূল সড়ক আর বিভিন্ন বাজার দখলের প্রতিযোগিতায় নেমেছে ব্যবসায়ীগন। পথচারীদের হাঁটার পথও দোকানীদের কব্জায়। গুড় মহালে পিলার, মরিচ মহালে রড-প্লাস্টিকের ট্যাংকি, মূল সড়কে সাইনবোর্ড, বাঁশের খুঁটি, গ্যাসের বোতল, চায়ের দোকান, আসবাবপত্র। এমন পরিস্থিতিতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার লাখো জনতার বাড়ছে দুর্ভোগ।
এ দুর্ভোগের বিষয়টি স্বীকার করেন গৌরীপুর উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মজিবুব রহমান। তিনি বলেন, অবৈধ স্থাপনা ও মালামাল দ্রুত সময়ের মধ্যে সরিয়ে নেয়া উচিত। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা না নিলে এ পরিস্থিতির উন্নতি হবে না।
এ দিকে গৌরীপুর পৌরসভার মূল সড়ক বালুয়াপাড়া মোড় থেকে হাসপাতাল, স্টেশন রোড, বঙ্গবন্ধু সড়ক ও আরকে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সড়ক। বালুয়াপাড়া মোড় থেকে স্টেশন ও হাসপাতাল গেইট পর্যন্ত বিপদজ্জজনক ওয়াকসর্প ৮টি, রাস্তার ওপরে ও পাশে রক্ষিত গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান ২৯টি, বিদ্যুতের খুঁটি ১৭টি, টিএন্ডটির খুঁটি ৬টি, টিএন্ডটির বক্স ২টি। বাঁশের খুঁটি ১১৭টি, সাইনবোর্ড ৬২টি, চায়ের দোকানের টেবিল ৩৮টি, বেঞ্চ ১৮টি, মুরগীর খাঁচা ৪টি, মনোহারী দোকানের সুকেস ৫৩টি মূল সড়কে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। পাটবাজার মোড়ে বাবুল হোটেলের সুকেস, মুক্তি ফার্মেসী, দুলাল দেবানাথ জুয়েলার্স, টিপু সুলতান জুয়েলার্স, রঞ্জন ফার্মেসী, দেবনাথ জুয়েলার্স, সোমা ফার্মেসী, ধানমহালে রতন মেডিকেল হল, সোনালী মেডিকেল হল, বিরদা মেডিকেল হল
অপরদিকে কালিপুর মধ্যম তরফ এলাকায় মূল সড়কের পাশে পৌর বিধিবিধান লংঘন নির্মাণ করা হয়েছে বহুতল ভবন, সরকারি ভূমিও দখলবাজদের দখলে। পাটবাজার মোড় থেকে কালিখলা ও ধানমহাল পর্যন্ত ৩১টি দোকানের বারান্দা আবারও রাস্তার সীমানা ঘেঁষে নির্মাণ করা হয়েছে। যৌথবাহিনী অভিযানের সময় এসব দোকানের বারান্দা ভাঙার পর আবারও উত্তোলন করে মূল সড়ক দখলে নেয়ায় যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। প্রায়শঃ ঘটছে দুর্ঘটনাও।
এদিকে শহীদ হারুণ পার্কের সীমানা ঘেঁষে রাস্তা দখলে নিয়েছে ঝমঝম লাইব্রেবী এন্ড ক্রোকারিজ। অস্থায়ী শেডও নির্মাণ করেছেন তিনি। এ প্রসেঙ্গ দোকানের মালিক মোঃ শামীম মিয়া জানান, পথচারীদের রাস্তা দখল করে মালামাল রাখ অপরাধ, সবাই করছে; তাই আমিও রাখছি। অনুরূপভাবে রাস্তা দখল করে মালামাল রেখেছে মেসার্স আঁখি স্টোর, পিয়ে হার্ডওয়্যার, চাঁদ এ্যালুমেনিয়াম, জারা ক্রোকারিজ স্টোর, শুভ হার্ডওয়্যার, মৌসুমী ক্রোকারিজ, ঢাকা এ্যালুমেনিয়াম, জাহাঙ্গীর আলম নিকেল ওয়াচ, মোড়ল হার্ডওয়ার, জুয়েল স্টোর, দুলাল স্টোর, লাবীব এন্ট্রারপ্রাইজ, সারা সাবা ক্রোকারিজ, শামীম ক্রোকারীজ স্টোর। দুলাল স্টোর ও জারা ক্রোকারিজের মালিক মোঃ দুলাল মিয়া বলেন, ঘর মালিকরা ৮/১০ফুট আগাইয়া ভবন করেছে, আমরা মালামাল রাখবো এখন কোথায়? জুয়েল স্টোরের প্রোপাইটর আবু তাহের মিয়া বলেন, সবাই রাখছে, আমিও রাখছি! জাহাঙ্গীর আলম নিকেল বলেন, এটা সম্পূর্ণভাবে অন্যায় এবং অপরাধ। আমার দোকানের সামনে অন্যরা মালামাল রেখে দেয়, এমনভাবে রাখে যে; দোকানই দেখা যায় না। আঁখি স্টোরের কামাল আহমেদ জানান, একজনের দেখা দেখি, অন্যরাও রাখছে।
অপরদিকে মেসার্স তানিয়া এন্টারপ্রাইজ, মেসার্সস আকবর আলী ট্রেডার্স, আবুল হাসিমের পিলার ঘর, ভূইয়া হার্ডওয়্যার স্টোর, তানিয়া এন্টাপ্রাইজ টু, শুভ ট্রেডার্স দখলে নিয়েছে সরকারের মাশুলকৃত মরিচ মহাল, গুড় মহাল, হলুদ মহাল। এসব দোকানীরা রড, প্লাস্টিকের ট্যাংকি, পিলারসহ নির্মাণ সামগ্রী রেখে পুরো বাজারে সাধারণ মানুষের চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন। তানিয়া এন্ট্রারপ্রাইজের স্বপন মিয়া স্বীকার করেন এটি মরিচ মহাল ছিলো। মাল এনে রাখি আবার বিক্রি করে দেই। নির্মল মোদক ও অর্জুন মোদকের বারান্দায় চলে এসেছে গুড় মহালের বিটায়।
এদিকে মধ্যবাজারের সবজি মহাল, সুপারী, কাপড় মহালের ৩৮টি দোকানের বারান্দা মূল বাজারকে দখলে নিয়েছে। এছাড়াও ৩১ কাপড়ের দোকানের সামনে টেবিল ও পোষাক প্রদর্শনী মূল বাজারের বিটায়। মধ্যবাজারে বাদল পাল, সোহাগ ম্যানসন, ভাই ভাই ট্রেডার্স, মনি লেডিস, পংকজ স্টোর, আশরাফ ট্রেডার্স, মনিরুজ্জামান জুয়েলের সারের দোকানের মালামাল বাজারে রাখায় সাধারণ মানুষের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। উত্তরবাজারে ইউসুফ এন্ড ব্রাদার্সের মালামালও মূল বাজারে।
এ প্রসঙ্গে গৌরীপুর পৌরসভার মেয়র সৈয়দ রফিকুল ইসলাম জানান, বারবার মাইকিং করে অবৈধ স্থাপনা ও ফুটপাত দখলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তারপরেও আস্তে আস্তে দখল বেড়েই চলেছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসান মারুফ জানান, ফুটপাট ও বাজার দখল করে মালামাল রাখা আইনত দণ্ডণীয় অপরাধ। এসব অবৈধ স্থাপনা ও মালামাল সরাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেয়া হবে।




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১