আজ বৃহস্পতিবার ২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
গৌরীপুরে সুইচ গেইটে পানিবন্দী ৪ গ্রামের ফসল, কৃষকদের ক্ষোভ চরমে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশে টানা দুই দিন কোনো লোডশেডিং হয়নি: বিদ্যুৎ বিভাগ নেত্রকোনায় পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন গৌরীপুরে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত আপনারা ভাববেন, আপনারা একজন শিক্ষক, কোনো দলের নেতা নন :ডেপুটি স্পিকার ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতির সব পদে বিএনপিপন্থিরা বিজয়ী লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগ দিতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী গৌরীপুর মহিলা কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষে পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা গৌরীপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষ্যে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা
||
  • প্রকাশিত সময় : জুলাই, ২৮, ২০২০, ৭:৫৫ অপরাহ্ণ




ক্যান্সার আক্রান্ত রিয়ার হাসিমুখ উপহার দিতে পারেন আপনিই!

গৌরীপুর প্রতিনিধি :
হা-ডু-ডু’তে দমধরা, বউছি’তে ডানপিটে শিশুটি ছিলো সবার সহযোগী এক বান্ধুবী। হই-হুল্লা করে বাড়িটাকে মাতিয়ে রাখা মেয়েটি ছিলো হাঁসিখুশি প্রাণ সঞ্চালক। বন্ধু আর বান্ধুবীদের পছন্দের কাজটি ঘুচিয়ে সাজিয়ে দিতো এই মেয়েটি। আজ ফ্যাকাশে তার শরীরের রঙ বিবর্ণ অবয়বে বেঁচে থাকার নিশ্চুপ এক আকুতি। সেই মেয়েটির নাম সাদিয়া ইসলাম রিয়া। আজ ক্যান্সারে আক্রান্ত। পেট কেটে বের করা হয়েছৈ ৩ কেজি ৭৫গ্রাম ওজনের একটি টিউমার। সে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার নুরুল আমিন খান উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী।
তার বাবা মোঃ রফিকুল ইসলাম। পেশায় একজন সিএনজি চালক। মা সানোয়ারা মবিন, গৃহিনী। বাস করেন পৌর শহরের নতুনবাজার এলাকায় ভাড়া বাসায়। নেই মাথা গোঁজার একটু ঠাঁইও। সেখানে দুই মেয়ে আর এক কন্যাকে নিয়ে বসবাস করে আসছিলেন। কভিড-১৯ দুর্যোগের আগে ডাল-ভাতে চলছিলো সুখের সংসার। মেয়ের হঠাৎ পেট ব্যাথা। সেই ব্যাথার যন্ত্রণায় শুধু বাবা-মা নয়, প্রতিবেশীরাও কেঁদেছেন। স্থানীয়ভাবে চিকিৎসায় ভালো না হওয়ায় ছুটে চলেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেও কাঙ্খিত উন্নতি না হওয়ায় পাঠানো হয় মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে। সেখানে চিকিৎসাধীন সময়ে হয় তার অপারেশন। বের করা হয় ৩ কেজি ৭৫গ্রাম ওজনের একটি টিউমার। টিউমার অপারেশনের পর সারা শরীরে ছড়িয়ে যায় ক্যান্সারের জীবানু। ডাক্তার বলেছে, চিকিৎসাতে সে ভালো হয়ে উঠবে। প্রয়োজন ১৫টি কেমো থ্যারাপি।
বাবার পক্ষে হাসিখুশির ভান্ডারখ্যাত সেই মেয়েটিকে বাঁচানোর নেই আর্থিক সামর্থ। মায়াবী চেহারা, কোমল হৃদয়ে আকাশে পানে তাকিয়ে আছে রিয়া। বাবার সামর্থ নেই, তাতে কী; সে বেঁচে উঠবেই। খোলা আকাশের নিচে মুক্ত বাতাসে বেঁচে থাকতে চায় রিয়া। তাকে সহযোগিতার জন্য ইতোমধ্যে প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনরাও এগিয়ে এসেছেন। শেষ হয়েছে ৫টি কেমো থ্যারাপী। আর ১০টি কেমোথ্যারাপীর জন্য প্রয়োজন মাত্র ৩লাখ টাকা আর দৈনন্দিন ওষুধের জন্য ১লাখ টাকা। মাত্র ৪লাখ টাকা হলেও বেঁচে যাবে রিয়া!
রিয়া’র হাসিমুখ দেখতে আপনিও সহযোগিতার হাত বাড়াতে পারেন, সেই সহযোগিতায় রিয়া আবারও হাসবে, খেলবে, ফিরবে প্রিয় বান্ধুবীদের খেলার দলে। তার বাবার বিকাশ নং ০১৯১৬-৮৬২৫৭৩। রয়েছে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড গৌরীপুর শাখায় সঞ্চয়ী হিসাব, যার নং ৩৩০৯২০১০১৮৬৮৭।




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১