আজ বুধবার ২৪শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৭ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
গৌরীপুরে সুইচ গেইটে পানিবন্দী ৪ গ্রামের ফসল, কৃষকদের ক্ষোভ চরমে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশে টানা দুই দিন কোনো লোডশেডিং হয়নি: বিদ্যুৎ বিভাগ নেত্রকোনায় পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন গৌরীপুরে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত আপনারা ভাববেন, আপনারা একজন শিক্ষক, কোনো দলের নেতা নন :ডেপুটি স্পিকার ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতির সব পদে বিএনপিপন্থিরা বিজয়ী লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগ দিতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী গৌরীপুর মহিলা কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষে পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা গৌরীপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষ্যে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা
||
  • প্রকাশিত সময় : জুন, ২৫, ২০২০, ৯:০৭ অপরাহ্ণ




ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে অসহায় মানুষের দুর্ভোগ

আর.কে রাজু- ঈশ্বরগঞ্জ প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ব্র‏‏হ্মপুত্র নদের ভাঙনে গত কয়েকদিনে নতুন করে অন্তত ২০ টি পরিবার তাদের ভিটে হারিয়েছে। প্রতিদিন ভাঙনের মুখে থাকা পরিবার তাদের ঘর, গৃহস্থালির জিনিসপত্র ও গাছ পালা কেটে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে। নদী পাড়ের মানুষের মধ্যে চলছে ভিটে হারানোর বেদনা। ভিটে হারিয়ে অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে।
ব্র‏হ্মপুত্র নদটি ঈশ্বরগঞ্জের উচাখিলা ইউনিয়নের ভেতর দিয়ে বয়ে গেছে। নদী ভাঙনের ফলে নদী তার মূল গরি হারিয়ে কেড়ে নিয়েছে ফসলি জমি মানুষের বসত ভিটে। গত কয়েক বছরে কয়েক হাজার মানুষ সর্বশান্ত হয়েছেন ভিটে-মাটি হারিয়ে। প্রতিবছর নদী ভাঙনের কবলে পড়তে হয় উচাখিলার মরিচারচর গ্রামের বাসিন্দাদের। গত কয়েকদিন ধরে নদী ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় ফসলি জমির সাথে বসত ভিটে ভাঙতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে অন্তত ২০ টি বাড়ি ভেঙে গেছে নদীতে। আরো অন্তত ৩০ টি বাড়ি ভাঙনের মুখে থাকায় সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে মানুষ। নদী ভাঙন এলাকার ভয়াবহতা দেখতে বৃহস্পতিবার সেখানে যান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের ব্যক্তিগত সহকারী আবদুল মতিন। ওই সময় ভাঙন কবলিত মানুষ নদীটি মূল জায়গা দিয়ে খনন করে গ্রাম বাসীকে ভাঙনের কবল থেকে রক্ষার দাবি জানান। ওই সময় কয়েকশ মানুষ নদী পাড়ে জড়ো হন নিজেদের অসহায়ত্বের কথা জানাতে।
সরেজমিনে এলাকাটিতে দেখা যায়, সর্বত্র ভিটে হারানোর আতঙ্ক। মরিচারচর উত্তরপাড়া ও নতুন চর এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা শুরু হয়েছে। উত্তরপাড়া এলাকায় অন্তত ২০ টি বাড়ি গত কয়েকদিনে ভেঙে বিলিন হয়েছে। বৃহস্পতিবার নিজেদের ভিটে থেকে ঘর, গাছ পালা ও অন্যান্য জিনিসপত্র সরিয়ে নিতে দেখা গেছে অনেক পরিবারকে। ফসলি জমি গুলো নদী গ্রাস করছে। ব্র‏হ্মপুত্র নদটি খনন শুরু হলে স্থানীয় এলাকাবাসী নদীর মূল অবস্থানের দিকে খননের দাবি জানিয়ে গত ২৬ জানুয়ারি ব্র‏হ্মপুত্র নদ খনন প্রকল্পের কাছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে আবেদন করেন। নদী ভেঙে নতুন পথ তৈরি হওয়ায় মানুষের ফসলি জমি ও বসতভিটা বিলিন হওয়ায় পুরুনো স্থান দিয়ে খননের দাবি জানিয়ে আবেদন করা হয়। কিন্তু সে কাজ আটকে থাকায় এ বছরও ভাঙতে শুরু করেছে মানুষের বসতভিটা।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জাকির হোসেন বলেন, নদীতে ভাঙনের তীব্রতা শুরু হয়েছে। মানুষ ভিটে বাড়ি হারাচ্ছে। অসহায় পরিবার গুলো নিকটবর্তী খাস জমিতে বসতি গড়তে বলা হয়েছে। অগ্রাধীকার ভিত্তিতে তাদের খাস জমি বরাদ্দ দেওয়া হবে। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধ বৃদ্ধি এবং নদীটি পূর্বে জায়গা দিয়ে খনন করে এলাকাবাসীকে ভাঙনের কবল থেকে রক্ষায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন পাঠানো হবে।##




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১