আজ শনিবার ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
তারাকান্দা সাব-রেজিস্ট্রারের আয়োজনে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থান ও মানবতার অস্তগামী সূর্য পৃথিবীর বিবেকবান মানুষের প্রতি এক উদাত্ত আহ্বান প্রতিহিংসার মানসিকতা বদলাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে ‘নিরবিচ্ছিন্ন সময় সাশ্রয়ী’ রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বিজয় এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে আগুন গৌরীপুরে স্বজনের বর্ষাবরণ উৎসব গৌরীপুর মহিলা কলেজ পরিদর্শনে মুগ্ধ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স দুঃস্বপ্ন ও ভয় থেকে বাঁচতে নবীজির শেখানো দোয়া তিন ফিফটিতে তিনশ ছুঁইছুঁই সংগ্রহ বাংলাদেশের অনুমোদনহীন কারখানায় প্লাস্টিক পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে ডিজেল
নিজস্ব প্রতিবেদক || দৈনিক বাহাদুর
  • প্রকাশিত সময় : জুন, ১৮, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ




কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থান ও মানবতার অস্তগামী সূর্য পৃথিবীর বিবেকবান মানুষের প্রতি এক উদাত্ত আহ্বান

মানবসভ্যতার ইতিহাস মূলত মানুষের ইতিহাস। এটি শুধু প্রযুক্তির অগ্রযাত্রার ইতিহাস নয়, এটি ভালোবাসার ইতিহাস, সহমর্মিতার ইতিহাস, ত্যাগের ইতিহাস এবং মানুষের জন্য মানুষের দাঁড়িয়ে যাওয়ার ইতিহাস। হাজার হাজার বছর আগে মানুষ যখন প্রথম আগুন জ্বালাতে শিখেছিল, তখন সে শুধু একটি প্রযুক্তি আবিষ্কার করেনি; সে সভ্যতার পথে প্রথম পদক্ষেপ রেখেছিল। এরপর চাকা, কৃষি, মুদ্রণযন্ত্র, বিদ্যুৎ, কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট— প্রতিটি আবিষ্কার মানবসভ্যতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
আজ আমরা আরেকটি যুগান্তকারী পরিবর্তনের সামনে দাঁড়িয়ে আছি। এ যুগের নাম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগ। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা এআই এমন এক প্রযুক্তি, যা মানুষের মতো চিন্তা করতে, শিখতে, বিশ্লেষণ করতে এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারে। পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী প্রতিষ্ঠানগুলো আজ এ প্রযুক্তির উন্নয়নে শত শত বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। বিশ্বের সেরা বিজ্ঞানীরা দিনরাত কাজ করছেন আরও উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তৈরির জন্য।

কিন্তু এই অভূতপূর্ব প্রযুক্তিগত উল্লম্ফনের মধ্যেও একটি প্রশ্ন আমার হৃদয়কে বারবার নাড়া দেয়। আমরা কি সত্যিই সঠিক পথে এগিয়ে যাচ্ছি? আমরা কি মানুষের জন্য প্রযুক্তি তৈরি করছি, নাকি প্রযুক্তির জন্য মানুষকে পরিবর্তন করে ফেলছি? পৃথিবীর বিবেকবান মানুষদের কাছে আমার বিনীত প্রশ্ন— যে অর্থ আজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পেছনে ব্যয় হচ্ছে, সেই অর্থের একটি বড় অংশ যদি পৃথিবীর অবহেলিত, নির্যাতিত, ক্ষুধার্ত ও শিক্ষাবঞ্চিত শিশুদের জন্য ব্যয় করা হতো, তাহলে কি মানবসভ্যতা আরও সুন্দর হতে পারত না?

আজ পৃথিবীর এক প্রান্তে মানুষ মঙ্গল গ্রহে বসতি স্থাপনের স্বপ্ন দেখছে, অন্য প্রান্তে একটি শিশু এক মুঠো খাবারের জন্য কাঁদছে। একদিকে অত্যাধুনিক রোবট তৈরি হচ্ছে, অন্যদিকে লাখ লাখ শিশু বিদ্যালয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না। একদিকে মানুষ কৃত্রিম আবেগসম্পন্ন যন্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, অন্যদিকে বাস্তব মানুষের কান্না শুনতে পাচ্ছে না।

আফ্রিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এখনো অসংখ্য শিশু অপুষ্টিতে ভুগছে। এশিয়ার অনেক দেশে কোটি কোটি শিশু দারিদ্র্যের শিকার। যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে শিশুরা স্কুলের পরিবর্তে ধ্বংসস্তূপ দেখছে। অনেক শিশু জন্মের পর থেকেই ক্ষুধা, রোগ, নির্যাতন এবং অবহেলার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বেঁচে থাকে। তারা কোনো প্রযুক্তিগত বিপ্লবের অংশ নয়। তারা কোনো আন্তর্জাতিক সম্মেলনের আলোচ্য বিষয় নয়। তারা শুধু বেঁচে থাকার জন্য সংগ্রামরত মানুষ।

আমি প্রায়ই ভাবি, পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী মানুষদের মধ্যে কেউ যদি সিদ্ধান্ত নিতেন যে তিনি আরও একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করবেন না, বরং এক লাখ শিশুর শিক্ষা নিশ্চিত করবেন, তাহলে কি মানবজাতির প্রকৃত কল্যাণ বেশি হতো না? যদি কোনো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কয়েক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের একটি অংশ আফ্রিকার ক্ষুধার্ত শিশুদের পুষ্টির জন্য ব্যয় করা হতো, তাহলে কি পৃথিবী আরও মানবিক হতো না?

আজ প্রযুক্তির অগ্রগতি যত দ্রুত হচ্ছে, মানবিক সম্পর্ক যেন ততই সংকুচিত হচ্ছে। মানুষ এখন আগের চেয়ে বেশি সংযুক্ত, কিন্তু আগের চেয়ে বেশি একাকী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাজার হাজার বন্ধুর তালিকা রয়েছে, কিন্তু বিপদের সময় পাশে দাঁড়ানোর মতো মানুষ কমে যাচ্ছে। পরিবারের সদস্যরা একই ছাদের নিচে বসবাস করলেও অনেক সময় হৃদয়ের দূরত্ব কয়েক হাজার কিলোমিটারের সমান।

একসময় সন্ধ্যা হলে মানুষ উঠানে বসে গল্প করত। প্রতিবেশীরা একে অপরের খোঁজ নিত। আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ হতো। সমাজে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা ছিল। আজ প্রযুক্তি আমাদের হাতে পৃথিবী এনে দিয়েছে, কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই পাশের মানুষের হাতটি ছিনিয়ে নিয়েছে।

মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ কখনো অর্থ নয়। সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো ভালোবাসা। একজন অসুস্থ মানুষের পাশে বসে থাকা একজন স্নেহশীল মানুষের মূল্য পৃথিবীর কোনো যন্ত্র দিয়ে পরিমাপ করা যায় না। একজন ক্ষুধার্ত শিশুর মুখে খাবার তুলে দেওয়ার আনন্দ কোনো প্রযুক্তিগত অর্জনের সঙ্গে তুলনা করা যায় না।

কিন্তু আমরা এমন এক সময়ে প্রবেশ করছি, যেখানে মানবিক সম্পর্কের বিকল্প তৈরি করার চেষ্টা চলছে। কৃত্রিম সঙ্গী, মানবসদৃশ রোবট, ভার্চুয়াল আবেগ, ডিজিটাল বন্ধুত্ব— সবকিছু যেন মানুষকে ধীরে ধীরে মানুষের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে। মানুষের একাকীত্ব দূর করার জন্য মানুষ নয়, যন্ত্র তৈরি করা হচ্ছে। এটি নিঃসন্দেহে একটি গভীর নৈতিক প্রশ্নের জন্ম দেয়।

আমরা কি এমন একটি পৃথিবী চাই, যেখানে একজন শিশু তার মায়ের স্নেহের পরিবর্তে একটি যন্ত্রের সঙ্গে কথা বলে বড় হবে? আমরা কি এমন একটি সমাজ চাই, যেখানে বন্ধুত্ব, ভালোবাসা এবং পারিবারিক বন্ধন কৃত্রিম বিকল্পের কাছে পরাজিত হবে? আমরা কি এমন একটি সভ্যতা গড়ছি, যেখানে মানুষের চেয়ে যন্ত্র বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে?

প্রযুক্তির বিরোধিতা করা আমার উদ্দেশ্য নয়। প্রযুক্তি মানবকল্যাণে ব্যবহৃত হলে তা অবশ্যই আশীর্বাদ। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এআই অসংখ্য প্রাণ বাঁচাতে পারে। কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বাড়াতে পারে। শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, প্রযুক্তির উন্নয়নের সঙ্গে মানবিক উন্নয়নের ভারসাম্য কোথায়?

আজ পৃথিবীতে যত যুদ্ধ চলছে, তার অধিকাংশের পেছনে প্রযুক্তির অভাব নয়; মানবিকতার অভাব কাজ করছে। মানুষ মানুষকে হত্যা করছে জ্ঞানের অভাবে নয়; বিবেকের অভাবে। সন্ত্রাসবাদ, ঘৃণা, বৈষম্য, নিপীড়ন এবং শোষণ প্রযুক্তিগত সমস্যার ফল নয়; এগুলো নৈতিক সংকটের ফল।

একজন শিশু যখন ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমায়, তখন মানবসভ্যতা ব্যর্থ হয়। একজন নারী যখন নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তখন মানবসভ্যতা ব্যর্থ হয়। একজন বৃদ্ধ যখন অবহেলিত হন, তখন মানবসভ্যতা ব্যর্থ হয়। কোনো রোবটের বুদ্ধিমত্তা এই ব্যর্থতাগুলো ঢেকে রাখতে পারে না।

আমাদের মনে রাখতে হবে, পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী প্রযুক্তিও একটি শিশুর চোখের জল মুছে দিতে পারে না যদি না কোনো মানুষ এগিয়ে আসে। সবচেয়ে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও প্রকৃত মমতার বিকল্প হতে পারে না। কারণ মমতা একটি অ্যালগরিদম নয়; এটি মানুষের হৃদয়ের ভাষা।

আজ পৃথিবীর কোটি কোটি শিশু সুযোগের অভাবে পিছিয়ে পড়ছে। তারা জন্মগতভাবে অযোগ্য নয়। তারা কেবল অবহেলিত। তাদের জন্য প্রয়োজন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, নিরাপদ আশ্রয় এবং ভালোবাসা। যদি আমরা এসব দিতে পারি, তাহলে তারাই আগামী দিনের বিজ্ঞানী, শিক্ষক, ডাক্তার, কবি এবং রাষ্ট্রনায়ক হবে।

আমি পৃথিবীর ধনী মানুষদের প্রতি শ্রদ্ধার সঙ্গে বলতে চাই— আপনারা নতুন প্রযুক্তি তৈরি করুন, কিন্তু মানুষের কথাও ভাবুন। আপনারা গবেষণায় বিনিয়োগ করুন, কিন্তু মানবতার বিনিয়োগও বাড়ান। একটি নতুন সফটওয়্যার তৈরি করার পাশাপাশি একটি নতুন বিদ্যালয়ও তৈরি করুন। একটি নতুন রোবট তৈরির পাশাপাশি একটি শিশুর জীবনও আলোকিত করুন।

বিশ্বের বড় বড় করপোরেশনগুলোর প্রতি আমার আবেদন— আপনাদের মুনাফার একটি অংশ ক্ষুধার্ত শিশুদের জন্য ব্যয় করুন। আপনাদের গবেষণা বাজেটের একটি অংশ মানবিক উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ করুন। কারণ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হলো মানুষের মধ্যে বিনিয়োগ।

রাজনীতিবিদদের প্রতি আমার আহ্বান— ক্ষমতার প্রতিযোগিতার চেয়ে মানুষের কল্যাণকে অগ্রাধিকার দিন। যুদ্ধের বাজেট কমিয়ে শিক্ষার বাজেট বাড়ান। অস্ত্রের পরিবর্তে বইয়ের সংখ্যা বাড়ান। ঘৃণার পরিবর্তে সহমর্মিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলুন।

ধর্মীয় নেতাদের প্রতি আমার আহ্বান— মানুষকে বিভক্ত নয়, ঐক্যবদ্ধ করুন। মানবতার শিক্ষা দিন। দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা দিন।

শিক্ষকদের প্রতি আমার আহ্বান— শুধু তথ্য নয়, মূল্যবোধও শেখান। এমন মানুষ তৈরি করুন, যারা শুধু সফল হবে না; মানবিকও হবে।

আর পৃথিবীর সাধারণ মানুষের প্রতি আমার আবেদন— আমরা প্রত্যেকে আমাদের অবস্থান থেকে মানবতার জন্য কিছু করতে পারি। হয়তো আমরা কোটি কোটি ডলার দান করতে পারব না, কিন্তু একজন শিশুর পাশে দাঁড়াতে পারব। একজন অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারব। একজন নির্যাতিত মানুষের জন্য কণ্ঠস্বর হতে পারব।

মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎ শুধু প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে না। এটি নির্ভর করে আমাদের বিবেকের উপর। আমরা কেমন মানুষ তৈরি করছি, সেটিই ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের জীবনকে সহজ করতে পারে, কিন্তু মানবিক বুদ্ধিমত্তাই পৃথিবীকে সুন্দর করতে পারে।

আজ সময় এসেছে আমরা নতুন করে ভাবি। আমরা কেমন পৃথিবী রেখে যেতে চাই? এমন একটি পৃথিবী, যেখানে যন্ত্র অত্যন্ত উন্নত কিন্তু মানুষ একাকী? নাকি এমন একটি পৃথিবী, যেখানে প্রযুক্তি উন্নত এবং মানুষও মানবিক?

আমার বিশ্বাস, পৃথিবীর প্রতিটি শিশুর হাসি একটি নতুন প্রযুক্তির চেয়েও মূল্যবান। একটি ক্ষুধার্ত শিশুর মুখে খাবার তুলে দেওয়া পৃথিবীর যেকোনো প্রযুক্তিগত অর্জনের চেয়ে বড় মানবিক সাফল্য। একটি শিশুকে শিক্ষিত করা ভবিষ্যতের সবচেয়ে শক্তিশালী বিনিয়োগ।

আসুন, আমরা প্রযুক্তির অগ্রযাত্রাকে স্বাগত জানাই, কিন্তু মানবতাকে বিসর্জন না দিই। আসুন, আমরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার পাশাপাশি মানবিক বুদ্ধিমত্তাকেও সমান গুরুত্ব দিই। আসুন, আমরা এমন একটি পৃথিবী গড়ি, যেখানে কোনো শিশু অবহেলিত থাকবে না, কোনো মানুষ ক্ষুধার্ত থাকবে না, কোনো হৃদয় একাকীত্বে ভুগবে না।

পৃথিবীর বিবেকবান, বিত্তবান ও প্রভাবশালী মানুষের প্রতি আমার শেষ আবেদন—আরও উন্নত যন্ত্র তৈরির পাশাপাশি আরও উন্নত মানুষ তৈরি করুন। কারণ ইতিহাস শেষ পর্যন্ত প্রযুক্তির মহিমা নয়, মানবতার মহিমাকেই স্মরণ রাখে। মানুষ বেঁচে থাকে মানুষের জন্য। মানবতাই সভ্যতার শেষ আশ্রয়। আর সেই মানবতাকে রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের সবার।

ড. মো. রুহুল আমিন সরকার

অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার, সিআইডি ঢাকা




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০