আজ শনিবার ৭ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
বাংলাদেশ ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে.. ড. এ টি এম বদরুজ্জামান এসিল্যান্ড সুনন্দাকে বিদায় সংবর্ধনা দিল গৌরীপুর প্রেসক্লাব শতভাগ ফেল লক্ষিপুর দাখিল মাদরাসা ॥ পাশের চেয়ে ফেল বারগুণ! গৌরীপুরে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮১ জন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী’র সহধর্মিনীর রোগমুক্তি কামনা অনুষ্ঠানে ॥ নববধূর হাতের রঙ মোছার সময়ও বর্তমান সরকারের হয়নি গৌরীপুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়ান দিবসে আলোচনা ও সংগীতানুষ্ঠান নেত্রকোণায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে নদী ও খালপাড় রক্ষায় বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে সভা গৌরীপুরে ফুটবল আনতে গিয়ে খালের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু! দেশে আসেন, দেখা হবে রাজপথে: হাসিনাকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জুলাই পুণ:জার্গরণে গ্র্যাফিতিতে গৌরীপুর দর্শনার্থীদের ভিড়
বিনোদন ডেস্ক || দৈনিক বাহাদুর
  • প্রকাশিত সময় : অক্টোবর, ৩১, ২০২৫, ৮:১৮ পূর্বাহ্ণ




‘বেহুলা নাচারি’ নিয়ে ‘বেহুলা দরদী’

২০১৭ সালের কথা। ঢাকার নাখালপাড়ায় বেড়ে ওঠা অভিনেত্রী সূচনা শিকদার গেলেন শ্বশুরবাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুরে। গ্রামে কিছুদিন থাকার পর জানতে পারেন, তাঁর স্বামীর পরিবারের সবাই একসময় টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী গীতিনাট্য বেহুলা নাচারির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই বেহুলা নাচারিতে নৃত্যের সঙ্গে গান পরিবেশন করা হতো, যা এখন প্রায় বিলুপ্তের পথে। সেই সময়ে শ্বশুর তাঁকে বেহুলা নাচারি এবং এই হারিয়ে যেতে বসা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে বলেন। কীভাবে তাঁরা এখনো কিছুটা টিকিয়ে রেখেছেন, তা জানান। প্রায় ২০০ বছর ধরে চলে আসা এই গীতিনাট্যের কথা শুনে ভালো লেগে যায় সূচনার।

বেহুলা নাচারিতে নৃত্যের সঙ্গে গান পরিবেশন করা হতো, যা এখন প্রায় বিলুপ্তের পথেছবি: নির্মাতার সৌজন্যে

সূচনার স্বামী পরিচালক সবুজ খান। তিনি সবুজকে জানান, এ ঘটনা নিয়ে সিনেমা বানানো উচিত। প্রস্তাবটা মন্দ নয়। সবুজ জানান, এই নৃত্য ছিল একসময় গ্রামের মানুষের জীবনের অন্যতম বিনোদনের উৎস। তাঁর বাবা-দাদা ও পূর্বপুরুষদের হাত ধরেই এই বেহুলা নাচারির নৃত্যের পরিসর বেড়েছে। একসময় নিয়মিত আসর বসেছে। কয়েক গ্রামের মানুষ এই নৃত্য ও পালা দেখতে ভিড় করেছে।
‘আমার শৈশব থেকেই দেখেছি বেহুলা নাচের গীতিনাট্য। এটা ছিল আমাদের জীবনের একটা অংশ ছিল। বাপ-দাদারাই ছিলেন এর প্রধান। আমাদের বাড়িতে ও আশপাশে এই আয়োজন হতো। দল ধরে মানুষ আসতেন দেখতে। এখন আর এই সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের চল নেই। পরে আমার স্ত্রী বললেন, “জনপ্রিয় এই শিল্প হারিয়ে যাচ্ছে। হয়তো একদিন একেবারেই হারিয়ে যাবে। তার আগেই এটি সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মকে জানানো উচিত।” আমি একমত হই। একই সঙ্গে এর সঙ্গে জড়িত মানুষদের সম্মান দিতেই সিনেমাটি বানানোর পরিকল্পনা করি,’ বলেন সবুজ।

সবুজ জানান, ‘বেহুলা নাচারির পালা’কে উপজীব্য করে গল্পটি লিখেছেন। এটি ২০০ বছর আগের পালা। প্রথম এই পালা লিখেছিলেন কিশোরগঞ্জের এক নারী। সেই থেকেই এই পালা কখনো ‘বেহুলা নাচারি’, কখনো ‘বেইলা নাচানি, ‘বেইলা সতী’, ‘বেইলা সুন্দরী’, ‘বেইলা-লখিন্দর’ নামেও মঞ্চায়িত হয়। এতে বেহুলা, মনসা, সনেকা, নরেকা, দাসী ইত্যাদি চরিত্রে পুরুষেরা নারী সেজে সংলাপ ও নৃত্যগীতে অংশ নেন। এসব চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, প্রাণ রায়, সূচনা শিকদার, আশরাফুল আশীষ, আফফান মিতুল, মেরাজুল ইসলাম, আজিজুন মিম।

এ সিনেমা দিয়েই ঢালিউডে নির্মাতা হিসেবে অভিষেক ঘটছে সবুজের। সিনেমায় তিনি তুলে ধরেছেন নব্বইয়ের দশকের শেষের দিকের গল্প। এর সঙ্গে যুক্ত মানুষের জীবনযাপন কেমন ছিল, সেটা। সিনেমাটি আগামীকাল ৯টি হলে মুক্তি পাবে। পরিচালক বলেন, ‘সবাই আমরা বাঙালি সংস্কৃতির কথা বলি। কিন্তু বাঙালি সংস্কৃতির এই ঐতিহ্যের গল্পটি অনেকে সিনেমা হলই চালাতে চাইছে না। অনেকেই মনে করছেন, সিনেমাটি চলবে না। কিন্তু তার আগে তো সিনেমা হলে চালিয়ে দেখা উচিত।’




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১