আজ শনিবার ৭ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
বাংলাদেশ ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে.. ড. এ টি এম বদরুজ্জামান এসিল্যান্ড সুনন্দাকে বিদায় সংবর্ধনা দিল গৌরীপুর প্রেসক্লাব শতভাগ ফেল লক্ষিপুর দাখিল মাদরাসা ॥ পাশের চেয়ে ফেল বারগুণ! গৌরীপুরে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮১ জন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী’র সহধর্মিনীর রোগমুক্তি কামনা অনুষ্ঠানে ॥ নববধূর হাতের রঙ মোছার সময়ও বর্তমান সরকারের হয়নি গৌরীপুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়ান দিবসে আলোচনা ও সংগীতানুষ্ঠান নেত্রকোণায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে নদী ও খালপাড় রক্ষায় বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে সভা গৌরীপুরে ফুটবল আনতে গিয়ে খালের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু! দেশে আসেন, দেখা হবে রাজপথে: হাসিনাকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জুলাই পুণ:জার্গরণে গ্র্যাফিতিতে গৌরীপুর দর্শনার্থীদের ভিড়
নিজস্ব প্রতিবেদক || দৈনিক বাহাদুর
  • প্রকাশিত সময় : সেপ্টেম্বর, ২১, ২০২৫, ৪:১২ অপরাহ্ণ




রাষ্ট্রের বিভিন্ন সংস্থার কাছে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল ২৬১২ কোটি

সরকারি বিভিন্ন সংস্থার কাছে ২৬১২ কোটি টাকার বকেয়া আটকে আছে বিদুৎ বিভাগের। এতে আর্থিক টানাপোড়েনে পড়েছে সংস্থাটি। এই বকেয়া বিলের মধ্যে সরকারপ্রধানের অফিসের ১২ কোটি এবং খোদ বিদ্যুৎ বিভাগের আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ১২ কোটি টাকাও আছে। দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া আদায় না হওয়ায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

জানা গেছে, এই বকেয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৯৯৫ কোটি টাকা হচ্ছে স্থানীয় সরকার বিভাগের (এলজিডি)। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৯৪ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং এর অধীনস্থ সংস্থাগুলোর। এছাড়া প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২৩৯ কোটি টাকা, গৃহায়ন ও গণপূর্ত বিভাগের ১৩৩ কোটি টাকা, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ৮০ কোটি টাকা, জননিরাপত্তা বিভাগ ৭৮ কোটি টাকা, কৃষি মন্ত্রণালয়ের ৭২ কোটি টাকা এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ৭০ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির জানান, ‘বিপুল পরিমাণ বিল অনাদায়ী থাকায় বিদ্যুৎ বিতরণকারী সংস্থা বা কোম্পানিগুলো আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া তাদের বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডও ব্যাহত হচ্ছে। এজন্য অর্থ বিভাগকে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর বকেয়া পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দিতে বলা হয়েছে।

সূত্রমতে, ২০২৫ সালের জুন পর্যন্ত সরকারের ৫৭টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কাছে ‘ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি)’ বকেয়া পাওনা দাঁড়িয়েছে ৭৭৩ কোটি টাকা। বকেয়ার দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ‘ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লি. (ডেসকো)’। এ সংস্থার বকেয়া বিলের পরিমাণ ৫৫৪ কোটি টাকা এবং তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বাবিউবো)। এ প্রতিষ্ঠানের মোট বকেয়া বিলের অঙ্ক ৪৫৬ কোটি টাকা। এছাড়া নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লি. (নেসকো) বকেয়া পাওনা ৩৭১ কোটি টাকা, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডে (বাপবিবো) পাওনা ২৪৫ কোটি টাকা এবং ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লি. (ওজোপাডিকো) বকেয়া ২১১ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টদের তথ্যমতে, কয়েক বছর ধরে মিটিং করে, চিঠি দিয়ে, এমনকি আইনি পদক্ষেপ নিয়েও এই বকেয়া বিল আদায় করতে পারছে না বিতরণ কোম্পানিগুলো।

দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া আদায় না হওয়ায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে উৎপাদন ও সরবরাহের প্রয়োজনীয় খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। বিতরণ ব্যবস্থায় এক ধরনের ঝুঁকিও তৈরি হয়েছে। এদিকে টাকার সংকট কাটাতে সম্প্রতি অর্থ উপদেষ্টার কাছে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ চেয়ে আধা সরকারি পত্র (ডিও) দিয়েছেন বিদ্যুৎ উপদেষ্টা।




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১