শেরপুরে ১৪ জন শিক্ষক ও ৩ কর্মচারী নিয়ে চলছে ঝিনাইগাতী উপজেলার তাওয়াকুচা টিলাপাড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা। চলতি বছরের দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় ৪ শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে একজনও পাশ করতে পারেনি।
শেরপুর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের তথ্যমতে,এ বছর শেরপুর জেলায় মাধ্যমিকে পাশের হার ৫৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ।দাখিলে পাশের হার ৪৯ দশমিক ৮৩ শতাংশ। শেরপুর জেলার ১০৫টি দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষার্থী ছিল ৩ হাজার ৩৩ জন।এরমধ্যে পাশ করেছে ১ হাজার ৫১৩ শিক্ষার্থী।আর জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৫ জন শিক্ষার্থী।শুধুমাত্র একটা দাখিল মাদ্রাসায় ৪ শিক্ষার্থী ছিল।ওই চার শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
কাংশা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. রহমত আলী বলেন,আমার বাড়ির পাশেই মাদ্রাসাটি।এখানে তেমন পড়াশোনা হয় না।কিছুদিন আগে জানতে পেরেছি এখানে নতুন ভবন হবে।ভবন হয়ে লাভ কী? যদি পড়াশোনাই না হয়।
মাদ্রাসা সুপার মো. মোতালেব জানান,পরীক্ষার ফল খারাপ হওয়ার বিষয়ে তার কিছুই জানা নেই।কেন খারাপ হয়েছে?
গত বছর কেমন ফলাফল ছিল? জানতে চাইলে তিনি বলেন,গত বছর ফলাফল খারাপ ছিল বা কেন খারাপ ছিল তা জানি না।পড়াশোনার মান নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি ফোন কেটে দেন এবং ফোন বন্ধ করে দেন।
তাওয়াকুচা টিলাপাড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার অ্যাডহক কমিটির সভাপতি এবং ঝিনাইগাতী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আশরাফুল আলম রাসেল সাংবাদিকদের জানান,সরকারি নির্দেশনায় পদাধিকার বলে উপজেলার সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতি তিনি।প্রতিষ্ঠানটি এমপিওভুক্ত না হওয়ায় তেমন ক্লাশ হয় না।এখন থেকে এ মাদ্রাসার বিষয়ে আমি নিয়মিত মনিটরিং করব।পাশাপাশি এ মাদ্রাসার বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়ার জন্য বলব।