রেলওয়ে স্টেশনের পিছনে রেলওয়ে পুকুরের অবৈধ লিজ বাতিলের দাবিতে ময়মনসিংহের গৌরীপুর রেলওয়ে এলাকাবাসীর উদ্যোগে রোববার (১৭ নভেম্বর/২৪) রেলওয়ে জংশনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল বের করে। বক্তরা বলেন, গৌরীপুর রেলওয়ে জংশনে চারপাশের প্রত্যেকটি পুকুর গোপনে অবৈধভাবে লিজ দেয়া হয়েছে। একটি পুকুর দেয়া হয়েছে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিজুল হকের নিকট। এসব অবৈধভাবে দেয়া লিজ বাতিল করে প্রকাশ্যে লিজ প্রদান করতে হবে।
এ প্রসঙ্গে আজিজুল হক বলেন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আমার জমির সংলগ্ন হওয়ায় রেলওয়ে ২একর ২৩শতাংশ জমির চাষাবাদের লাইসেন্স দিয়েছে। আমি প্রত্যেক বছর নিয়মিত সরকারের অর্থ পরিশোধ করে আসছি। পুকুর অবৈধভাবে লিজ প্রদানের অভিযোগ সত্য নয়।
প্রতিবাদ সমাবেশে মো. বাবলু মিয়া, মৎস্যজীবী মো. জালাল উদ্দিন, যুবদল নেতা সাইফুল ইসলাম মিন্টু, উজ্জল মিয়া, মোফাজ্জল হোসেন, দুলাল মিয়া, সুলতান মিয়া, শাহজাহান, হাসান মিয়া প্রমুখ।
অপর একটি সূত্র জানায়, গৌরীপুর রেলওয়ে জংশনের চার রেলপথে রেলওয়ের ৩২টি পুকুর অত্যন্ত গোপনীয়তায় লাইসেন্স বা লিজ প্রদান করা হয়। স্থানীয় প্রকাশ্যে এসব লিজ সম্পর্কে কোনো অবহিত করা হয় না। বিএনপি নেতা মো. বাবলু মিয়া জানান, মোহনগঞ্জ, জারিয়া, চট্টগ্রাম ও ময়মনসিংহ এ চার রেললাইনের পাশে থাকা অর্ধশত পুকুর গোপনে লিজ দেয়া হয়। স্থানীয় লোকজনকে কোনোরূপ অবহিত করা হয় না। ফলে এসব পুকুর থেকে সরকার প্রতিবছর শত কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে গৌরীপুর স্টেশন মাস্টার সফিকুল ইসলাম জানান, রেলওয়ে স্টেশনে মানববন্ধন করেছে তবে রেলওয়ে ভূমি সংক্রান্ত বিষয়টি কানুনগো আছেন, ল্যান্ড অফিস দেখেন। এ বিষয়ে আমাদের কোনো জানা নেই।