ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর নির্বাচনী এলাকার সহনাটী ইউনিয়নের ভালুকাপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে হামলা, ব্যালট পেপার ও বাক্স ছিনতাই, কর্তব্যরত আনসার ও পুলিশকে মারধরের ঘটনায় সোমবার (৮ জানুয়ারি/২৪) গৌরীপুর থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় সহনাটী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সালাহ উদ্দিন কাদের রুবেল ও সহনাটী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহব্বায়ক সাবেক ইউপি মেম্বার মো. শফিকুল ইসলাম শফিকসহ ১৫৪জনকে আসামী করা হয়েছে। এ মামলা দায়ের করেন ডৌহাখলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার নরোত্তম রায়।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সুমন চন্দ্র রায়। তিনি জানান, এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।
প্রিজাইডিং অফিসার ও স্থানীয় সুত্র জানায়, ময়মনসিংহ-৩ গৌরীপুর আসনের উপজেলার সহনাটি ইউনিয়নের ভালুকাপুর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে রোববার বিকেলে ভোট চলাকালীন সময়ে সহনাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সালাহ উদ্দিন কাদের রুবেলের নেতৃত্বে দৃর্বৃত্ত¡রা হামলা চালায়। তাদেরকে প্রতিরোধ করতে প্রিজাইডিং অফিসারের আদেশে দায়িত্বরত মইলাকান্দা ইউনিয়ন দলনেতা পিসি আজিজুল ইসলাম খান এসময় হাতে থাকা শর্টগান (নং-০৪৪৫১) দুই রাউন্ড রাবার কার্তুজ ছুঁড়েন। হামলাকারীরা পাল্টা অ¯্ররে ভয় দেখিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে ব্যবহৃত ও অবব্যহৃত ব্যালট পেপার, সীল ছাড়াও আটটি ব্যালট বাক্স ও আনসারদের লাঠি নিয়ে যায়। বাঁধা দেয়ায় আনসার সদস্য ও দায়িত্বরত পুলিশের সাবইন্সপেক্টর আমিনুল ইসলামকে পিটিয়ে জখম করে। পুলিশের অ¯্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। পরে আহত এসআইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ৪টা ১৬ মিনিটে ভোট কেন্দ্র স্থগিত ঘোষনা করেন প্রিজাইডিং অফিসার নরোত্তম।

এ ঘটনায় প্রিজাইডিং অফিসার নরোত্তম চন্দ্র রায় বাদী হয়ে সহনাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাহ উদ্দিন রুবেল, সহনাটী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহব্বায়ক ও সাবেক মেম্বার শফিকুৃল ইসলাম শফিক, মোন্তাজ ওরফে মন্টি ও কসাই হিরণকে নামে ও অজ্ঞাত ১৫০জনকে আসামী করা এ মামলা দায়ের করেন।