ময়মনসিংহের গৌরীপুরে চাঁদের হাট অগ্রদূত শাখা ও যুগান্তর স্বজন সমাবেশের উদ্যোগে পলাশকান্দা ট্র্র্যাজেডি দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর/২৩) প্রভাতফেরি শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ ও পথসভায় ‘পলাশকান্দা ট্র্যাজেডি’ তুলে ধরা হয়। দুপুরে মুক্তিযোদ্ধা কবরাস্থানে শহিদ মঞ্জু’র প্রতিকী কবরে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ ও মোনাজাত করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্বজন সমাবেশের সহসভাপতি কবি শামীমা খানম মীনা। সঞ্চালনা করেন চাঁদের হাট অগ্রদূত শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল মোমেনীন। ৭১’র রণাঙ্গন ও পলাশকান্দা ট্রাজেডি’র ইতিহাস তুলে ধরেন শহীদ মঞ্জু’র ভাই গৌরীপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ম. নুরুল ইসলাম ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমাণ্ডার ও সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি কমাণ্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুর রহিম।
বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন সেলিম, উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মুন্নাফ, শহিদ মঞ্জু’র ছোট ভাই রফিকুল হাসান লিটন, অগ্রদূত নিকেতনের সহকারী শিক্ষক রেখা সাহা, সোমা হালদার, যুগান্তরের গৌরীপুর প্রতিনিধি মো. রইছ উদ্দিন, যুগান্তর স্বজন সমাবেশের সাধারণ সম্পাদক সেলিম আল রাজ, সরকারি কলেজ স্বজন সমাবেশের সাংগঠনিক সম্পাদক রমজানুর রহমান নাজিম, যুগ্ম সম্পাদক সাইফ আহমেদ, রাকিবুল ইসলাম শান্ত, ছোটন মিয়া, জিহাদ মিয়া, জিহাদুল ইসলাম সাব্বির প্রমুখ।
সংগীত পরিবেশন করেন উপজেলা স্বজনের সাংস্কৃতিক সম্পাদক গোপা দাস, আমিরুল মোমেনীন, কামরুজ্জামান স্বপন, তপন সরকার, ইসরাত রেখা বিন্দু, গৌরীপুর রক্তদান ফাউন্ডেশনের সভাপতি আশিকুর রহমান রাজিব, সূচী সরকার, পৃথা সরকার, প্রমিত সরকার।
১৯৭১ এর এই দিনে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে এক সম্মুখযুদ্ধে পলাশকান্দায় শহীদ হন মুক্তিযোদ্ধা সিরাজ, মনজু, মতি ও জসিম।