টানা বর্ষণে ময়মনসিংহের গৌরীপুর-শ্যামগঞ্জ সড়কের বিভিন্ন অংশ পানির নিচে তলিয়ে গেছে। ভাঙা-খান্দাখন্দকে পড়ে শনিবার (৭ অক্টোবর/২০২৩) ৭টি অটোরিকশা উল্টে ২৭জন যাত্রী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এরমধ্যে ৫০উর্ধ্ব আছিয়া আক্তার নামে এক নারীর পা-ভেঙে গেছে। তার বাড়ি পূর্বধলায়। তাঁকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী আছিম উদ্দিন, নয়ন মিয়া ও আফজাল হোসেন জানান, সকাল থেকে আমরা পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া রাস্তায় পালাক্রমে পাহারা দিচ্ছি। ভাঙা রাস্তা লাল নিশান টাঙানোর পর প্রবল ¯্রােতে তার খুঁটি উঠে গেছে। মইলাকান্দা গ্রামের ফজলুর রহমান জানান, শুক্রবার থেকেই এ সড়কে যানবাহন উল্টে যাত্রীরা আহত হচ্ছেন। একই গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান জানান, রাস্তাটি এতো ভাঙা আগে থেকেই দুর্ভোগ পোহাচ্ছিলাম। এখন তো পানি, তাই দেখা যাচ্ছে না। দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন পথচারীরাও।
এ সড়কের ৩টি স্থানে ৮টি অটোরিকশা শনিবার উল্টে যায়। এতে ২৭জন আহত হন। আহতদের মধ্যে মইলাকান্দা ইউনিয়নের মইলাকান্দা গ্রামের নুর জাহান বেগম (২৭), ষোলপাই গ্রামের ফখর উদ্দিনের স্ত্রী জেসমিন আক্তার (৪৫), শ্যামগঞ্জের এখলাছ উদ্দিন (৩০), সোয়েব আলী (৪৮), তারা মিয়া (৩০), পূবর্ধলার তাহের আলী (৪০), তার স্ত্রী ফুলবানু (৩৫) ও তার মেয়ে তাবাসুম উম্মে নুরজাহান (৪), তারাকান্দার আশিকুর রহমান (৩৬), তার স্ত্রী বিলকিস আক্তার (৩০) ও শিশু পুত্র তৌসিফ আব্দুল্লাহ (৭), গোবিন্দনগরের এরশাদ হোসেন (৪৮), নওয়াব আলী (২৪), গাভীশিমুল গ্রামের সখিনা আক্তার (৫৮), গৌরীপুর পৌরসভার আব্দুল মোতালেব (৫০), তার মোটর সাইকেলে থাকা আফজাল হোসেন (৪০), মোহনগঞ্জের মৎস্যচাষী নুরুজ্জামান রানা (৪০), নেত্রকোণার ফয়সাল আমিন (২৬)। অন্যদের নাম জানা যায়নি।
মইলাকান্দা গ্রামের আবু হানিফ জানান, রাতে দুর্ঘটনা শিকার হচ্ছেন বেশি মানুষ। এ সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে বিকল্প সড়কে চলাচল করার অনুরোধ জানান তিনি।