নির্ধারিত স্থানে কাঁচাবাজার, লবন, পেঁয়াজ-রসুনসহ নানা নিত্যপণ্যের ঠাঁই মিলছে না। কৃষকরা উৎপাদিত পণ্য নিয়ে চরম বিপাকে পড়ছেন। তারা বাধ্য হয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সামনে গাছতলায় বসে পণ্য বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।
অচিন্তপুর ইউনিয়ন ভূমি উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন জানান, শাহগঞ্জ বাজারে অবৈধ দখলকারের সংখ্যা ৬৬জন। তারা হলেন মৃত ফজলু মিয়ার পুত্র আবদুর রহমান পলাশ, মৃত আব্দুল জব্বারের পুত্র মো. আবুল কাশেম, মো. হারুনের পুত্র মো. শরিফুল, আলাউদ্দিনের পুত্র মো. জুয়েল মিয়া, মো. আবুল হাসেম এর পুত্র মো. জয়, আবুল হোসেনের পুত্র মো. মিলন মিয়া, আব্দুল আজিজের পুত্র মো. সুলতান মিয়া, মৃত নারু মামুদের পুত্র আব্দুল আজিজ, উমেদ আলীর মো. মঞ্জুর মাষ্টার|
হযরত আলীর পুত্র মো. ফারুক মিয়া, ছমেদ আলীর পুত্র মো. ফকর উদ্দিন, মৃত মমরুজ আলীর পুত্র সঞ্জু মিয়া, মৃত জালাল উদ্দিনের পুত্র উজ্জল মিয়া, সুরুজ আলীর পুত্র আব্দুর রশিদ, মো. সাহাব উদ্দিনের পুত্র মো. সিরাজ, সদর আলীর পুত্র মো. সেলিম, মো. মহরম আলীর পুত্র, নজরুল, হাসেন আলীর পুত্র নুরুল আমিন, সাদে আব্বাস আলীর পুত্র মনোয়ার, মো. মীর বক্সের পুত্র মো. সায়েদ মুন্সি, মো. আব্দুল মজিদের পুত্র রফিকুল ইসলাম, জয়নালের পুত্র মো. খোকন, মিয়ার পুত্র মো. গোলাপ, উমেদ আলীর পুত্র মো. হাসেম বকবুলের পুত্র মো. সুলতান, মৃত আলিশ উদ্দিনের মো. শাহ রাকিব আহাম্মদ, মো. আব্দুল্লাহ্ তালুকদারের পুত্র কামরুজ্জামান তালুকদার, জামির উদ্দিনের পুত্র মো. কোকিল, চাঁনু ব্যাপারীর পুত্র মো. রফিকুল ইসলাম |
শাহে নেওয়াজ এর পুত্র মো. হাবিব, শাহ নেওয়াজের পুত্র মো. আবুল হক, মো. সাদেকের পুত্র মো. রানা, সাদে আব্বাসের পুত্র মো. মোজাম্মেল হক গং, সাদেক আলীর পুত্র আনোয়ার, ইয়ার হোসেনের পুত্র মো. সাদেক, মো. ইয়ার হোসেনের পুত্র মো. হারুণ, মো. ফকর উদ্দিনের পুত্র মো. খাইরুল, মৃত সাহাব উদ্দিনের পুত্র দুলাল হোসেন, মো. রহিম উদ্দিনের পুত্র মো. বাহাজ উদ্দিন, মো. আব্দুল আজিজের পুত্র মো. সাদেক, ইয়ার হোসেসের পুত্র মো. হারুণ, জালালের পুত্র মো. কামাল, সাদে আব্বাসের পুত্র মো. আনোয়ার, ইসমাইলের পুত্র মো. হবিবুর, নেওয়াজ আলীর পুত্র মো. রশিদ, শামছুদ্দিনের পুত্র মো. জাহাঙ্গীর, সাইফ উদ্দিনের পুত্র মো. সুজন, ইয়ার বক্সের পুত্র মো. মতিন, মো. জালাল উদ্দিনের পুত্র মো. সোহেল মিয়া, উমেদ আলীর পুত্র মো. সুলতান, মো. মাবুদের পুত্র মো. মোসলেম, হাজূী মকবুল আলীর পুত্র মো. নওয়াব আলী মাষ্টার।
মো. হাতেম আলীর পুত্র মো.চাঁন মিয়া, আব্দুল হাই এর পুত্র আল আমিন, আব্দুল হোসেনের পুত্র মজিবুর রহমান, মৃত আতার আলীর পুত্র সাইদুল ইসলাম, মৃত ইলিয়াস উদ্দিনের পুত্র মো. এমদাদুল হক, মোঃ জয়নালের পুত্র মো. নবাব হোসেন, মো. আনোয়ারের পুত্র মো. আলমগীর, মৃত আবুল কাশেমের পুত্র মো. আলমগীর হোসেন জুয়েল, মৃত জহির উদ্দিন ব্যাপারীর পুত্র গোলাম মোস্তফা, হাবু ব্যাপারী পুত্র আব্দুর রশিদের ২টি দোকান, তার ভাই আক্কাস আলীর ২টি দোকান, হাজী জমির উদ্দিনের পুত্র মো. মুসলিম উদ্দিন, মৃত মুনসুর আলীর পুত্র আব্দুল হাকিমসহ প্রত্যেকের একটি করে অবৈধ দোকানঘর রয়েছে।
তিনি আরও জানান, সার্ভেয়ার না থাকায় বাজারের সীমানা নির্ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে না। প্যারিপ্যারিভুক্ত চান্দিনাভিটিতে একসনা ইজারা বস্তোবস্ত নেয়ার জন্য ব্যবসায়ীর আবেদন জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়েছিল। তবে এসব আবেদন অনুমোদন হয়নি।
বাজারের ইজারাদার মো. শাহ জাহান জানান, তালিকার বাহিরেও বাজারের জায়গায় প্রায় ৪৭টি অবৈধ দোকানপাট রয়েছে। বাজারে লোকজন পণ্য নিয়ে আসলে তাদের বসার কোন স্থান নেই। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। শাহগঞ্জ গ্রামের কৃষক আফজাল হোসেন (৭০) জানান, আগে শাহগঞ্জে অনেক ফাঁকা জায়গা ছিলো, এখন সব ভরাট হয়ে গেছে। বাজারে তো এখন ৮/১০টা কচু রাখারই ঠাঁই নাই।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাজারে সরকারের নির্ধারিত শেডের নিচে রয়েছে ৪টি দোকান। বাজারের দোকানদার ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের জন্য বাজারের পশ্চিমপাশে প্রায় ১০লাখ টাকা ব্যয়ে গণশৌচাগার নির্মাণ করা হয়। সেই শৌচাগারটি দখল করে স্থাপন করা হয়েছে ৭টি দোকান। গণশৌচাগারের ট্রাংকি থাকলেও নেই গণশৌচাগার! এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফৌজিয়া নাজনীন জানান, শাহগঞ্জ বাজারের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পত্র দেয়া হয়েছে।