বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের অধীনে কৃষিবিদ মো. হুমায়ূন কবীরকে -Developing an Integrated Management of Wheat Blast in Bangladesh শীর্ষক অভিসন্দর্ভের জন্য পিএইচডি ডিগ্রি প্রদান করা হয়েছে। এ বিভাগের প্রফেসর ড. মো. বাহাদুর মিঞার তত্ত্বাবধানে তিনি এ ডিগ্রী অর্জন করেন।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ে ৩০জুলাই অনুষ্ঠিত ৩২৩তম সিন্ডিকেট অধিবেশনের সিদ্ধান্তক্রমে হুমায়ুন কবীরসহ ৬৪জনকে ডক্টর অব ফিলোসোফি (পি-এইচ.ডি) এর ফলাফল বুধবার (৩ আগস্ট/২০২২) এক বিজ্ঞপ্তিতে প্রকাশ করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণিতে বিএসসি এজি (অনার্স) এবং উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগ হতে এ গ্রেড পেয়ে এমএস ডিগ্রি লাভ করেন। তার এ পর্যন্ত ৭ টি রিসার্চ পেপার জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
কৃষিবিদ হুমায়ুন কবীর ২০১১ সালে ২৯তম বিসিএসের মাধ্যমে কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার হিসাবে নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দায় চাকুরিতে প্রতশ যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা কৃষি অফিসার হিসাবে ভূঞাপুর উপজেলায় কর্মরত আছেন। এ উপজেলার চরাঞ্চলের মানুষের সবুজ বিপ্লবের কারিগর হিসেবে তিনি আখ্যায়িত হয়েছে। এছাড়াও পরিত্যক্ত জমিতে চাষাবাদ, জৈব সারের ব্যবহার বৃদ্ধি, বিষাক্ত কীটনাশক ও অতিরিক্ত রাসায়নিক সার ব্যবহার পরিহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণ, কৃষকদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন।
কৃষিবিদ ড. হুমায়ুন কবীর জানান, গমের ব্লাস্ট রোগের নিয়ন্ত্রণের উপর এটিই দেশের প্রথম সফল গবেষণা। যা জাতীয়ভাবে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়েছে। তার গবেষণায় প্রাপ্ত ফলাফল দেশী ও বিদেশী বিজ্ঞানীদের ও কৃষকদের গম উৎপাদন ও ফলন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। শুধু তাই না তিনি কৃষির আধুনিক প্রযুক্তি বিস্তারেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছেন।
তিনি ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের কিল্লাতাজপুর গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিন তালুকদার ও মোছাঃ আছিয়া খাতুন এর ৫ম পুত্র। তার এই সফলতায় গৌরীপুরবাসী উৎফুল্ল।
এছাড়াও ডক্টর অব ফিলোসোফি (পি-এইচ.ডি) অর্জন করেছেন মাইক্রোবায়োলজি এন্ড হাইজিন বিভাগে মোহাম্মদ আশিকুল আলম, মো. এনামুল হক, মো. শাহজাহান আলী সরকার, প্যাথলজি বিভাগে মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, এস.এম শরিফুল হক বেলাল, মেডিসিনে বেগম শামছুননাহার আহম্মদ, এ কে এম হুমায়ুন কবীর, মো. মিজানুর রহমান, সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগে মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার, মো. নজরুল ইসলাম, মুহাম্মদ মফিজুল ইসলাম, মো. মাসুদুর রহমান, মীর মো. ইকবাল হাসান, মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ, কৃষিতত্ত্ব বিভাগে মো. মিজানুর রহমান, আ. ন. ম. এনামুল করিম, মো. রাকিউল হাসান মন্ডল, মো. মোস্তাহেদ হোসেন, মো. আরমানুল ইসলাম সরকার, মো. হাবিবুর রহমান, মো. শামছুল আলম, মুহাম্মদ রেজাউল মনির, শামছুন নাহার মাহফুজা, এ.বি.এম শহীদুল ইসলাম, মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগে মো. কামাল হোসেন, মো. মোশারফ হোসেন, কামরুল হাসান, মো. ইউনুছ আলী, উদ্যানতত্ত্ব বিভাগে সৈয়দ রাফিউল হক, মোছা. মারুফা খাতুন, মো. মাহমুদুল হাসান, উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগে শেখ আফছার উদ্দিন, আবু খায়ের মোহাম্মদ কামাল হাসান, আফরোজ জাহান, মো. সাখাওয়াত হোসেন, মুহাম্মদ ইকবাল হোসেন, ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞানে মো. একরামুল হক, কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজননে মোহাম্মদ আলী, মো. মাহমুদুল হাসান, মোছা. খাদিজা খাতুন, কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগে জুলকার নাইন, মোহাম্মদ জামশের আলম, এগ্রোফরেষ্ট্রিতে ফারুক আহম্মদ, কাজী নুর-এ-আলম জুয়েল, বায়োটেকনোলজিতে মোহাম্মদ খোরশেদ আলম, রুমানা রহমান, পশুবিজ্ঞানে অভিজিত কুমার মোদক, পশুপুষ্টিতে শামীম আহম্মেদ, মো. মোস্তাফিজার রহমান, কৃষি অর্থনীতিতে মোহাম্মদ সেলিম আল মেহেদী, কৃষি অর্থসংস্থান ও ব্যাংকিংয়ে সন্দিপ মিত্র, কৃষি ব্যবসা ও বিপননে মো. আবু সাইয়েম, দেবাশিস চন্দ্র আচার্য্য, বাপন মানখিন, কৃষি শক্তি ও যন্ত্রে মো. কামরুল হাসান, ফিশারিজ বায়োলজি এন্ড জেনেটিক্স বিভাগে মুহাম্মদ সালাহ্ উদ্দীন কবির, মো. আব্দুর রউফ, মো. আরিফ হোসেন, একোয়াকালচারে মুহাম্মদ মমিনুজ্জামান খান (মরণোত্তর), ফিশারিজ ম্যানেজমেন্ট বিভাগে মাকছুদ আলম খান, মোহাম্মদ আসফ-উদ-দৌলাহ, মো. মোয়াজ্জেম হোসেন ও মো. মজিবর রহমান।