৮ জুন বৃহস্পতিবার একটি সংবাদ সংগ্রহে সরেজমিন ঘটনাস্হলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে তারাকান্দা সদর থেকে মোটরসাইকেলযোগে রওয়ানা হই। নেত্রকোনা -ময়মনসিংহ সড়কে শম্ভুগন্জ থেকে কাশীগন্জ যাওয়ার পথে হাতের বামপাশে কামারিয়া ইউনিয়নের “সাধুপাড়া দারুল হুদা দাখিল মাদরাসা ” সাইনবোর্ড নজরে আসে।
আমার বহনকৃত বাইকের গতি কিছুটা কমিয়ে সড়কের দু’পাশে নজর দেই। সড়কের পাশেই একটি মনোহারী দোকান দেখে, বাইকটি নিয়ে দোকানের পাশে অবস্থান করি। এ মুহুর্তেই সাধুপাড়া গ্রামের একজন আলোকিত মানুষ আমার স্নেহময় শিক্ষিত যুবক ও এম,আর,শিক্ষা সংবাদ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক শারীরিক প্রতিবন্ধী ফারুক আহম্মেদ এর নাম মনে পড়ে। সাথে সাথেই মোবাইল ফোনে কথা বলি এবং মাদরাসার পাশে দোকানে অবস্থানের বিষয়টি অবগত করি।

মোবাইল ফোনেই আমাকে বসার জন্ঢ় অনুরোধ করেন। সম্ভব্য ৫/৭ মিনিটেই একটি হুইল চেয়ারে বসে আমার কাছে আসেন। চলছে কৌশল বিনিময় ও নানান বিষয়াদি নিয়ে আলাপ আলোচনা। ফাঁকে ফাঁকে গরম চা। এরই মধ্যে আলাপে উঠে আসে সাধুপাড়া দারুল হুদা দাখিল মাদরাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কথা। সাথে সাথেই ফারুক বলে উঠেন, আমি এ মাদরাসার ছাত্র। তখন আমার প্রিয় একজন সুপার মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন আজমি সাহেবকে মোবাইল ফোনে আমি ও ফারুকের অবস্থানটি জানাইলে,তিনি সাথে সাথেই আমার সাথে দেখা করেন।
ওই মাদরাসা’র সুপার মোয়াজ্জেম সাহেবের আবদার রক্ষায় তাহার অফিসে যাই। সুপার সাহেব, আমি ও ফারুক মাদরাসা প্রবেশের সাথে সাথেই সকল শিক্ষক বরন করে।সপার সাহেব সকল শিক্ষকদের পরিচয় করিয়ে দেয়। পরে সুপার সাহেব আমাকে নিয়ে শিক্ষার্থীদের শ্রেনিকক্ষে যান এবং আমাকে পরিচয় করিয়ে দেন। আমি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার খোঁজখবর নেই এবং শিক্ষার্থী অভিনন্দন জানিয়ে বিদায় নিয়ে চলে আসি।