গৌরীপুর পৌরসভার উত্তর বাজার,মধ্যবাজার ও গৌরীপুর স্টেশনে ১৫০ জন লোকের কাছে ইফতার পৌঁছে দিলেন, কাশবন তরুণ সংঘ ।
নিজস্ব ব্যবস্থাপনায়, স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পরিচ্ছন্ন স্থানে, সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা নিজ হাতে মাংস দিয়ে খিচুড়ি রান্না করেন এবং খেজুর দিয়ে ১৫০ প্যাকেট ইফতার সামগ্রী তৈরি করেন।
সারাদিনভর এই সমস্ত ইফতারের আয়োজন করে একটি একটি ইজি বাইকে, ইফতারের এক ঘন্টা আগে থেকে গৌরীপুর রেল স্টেশনে,উত্তর বাজার ও মধ্যবাজারে হতদরিদ্র, অসচ্ছল মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে দেন কাশবন তরুণ সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা।
কাশবন তরুণ সংঘ জানান, জুম্মার নামাজের পরে আমাদের সংগঠনের কয়েকজন সদস্য মিলে কেনাকাটা শুরু করি। সেগুলো কিনে আমাদের অস্থায়ী কার্যালয়ে এনে, ভালো করে ধৌত করা হয়, ঠিক দুপুরে রান্নার কাজ শুরু হয়। নিজ হাতে আমরা পরিচ্ছন্ন স্থানে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে এই সমস্ত খাদ্য প্যাকেট জাত করি এবং ইফতারের এক ঘন্টা আগে, গৌরীপুর রেল স্টেশনে,উত্তর বাজার ও মধ্যবাজারে একটি ইজি বাইক করে সংগঠনের ২০ সদস্য মিলে ইফতার সামগ্রী মানুষের মাঝে বিতরণ করি।
কাশবন তরুণ সংঘের সহ-সভাপতি রিদওয়ানুল হাসান ফাহাদ জানান, আশা রাখি দুর্যোগকালীন অবস্থায়, আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে, মানুষের দ্বারপ্রান্তে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের সকল সেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। মানুষ যদি আমাদের জন্য দোয়া করে সেটাই আমাদের বড় প্রাপ্তি হবে বলে আমরা মনে করি। আমাদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি’র দিক নির্দেশনা অনুযায়ী ইনশাআল্লাহ আমরা সফল হবো।
কাশবন তরুণ সংঘ
কাশবন তরুণ সংঘের, প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি মোঃ মোজাম্মেল হক জানান, উদ্দাম গতির ৫০জন তরুণ নিরলস ভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছে, দিনোহিন, অসহায়, দুস্থ মানুষের দ্বারে, সংগঠনের সেবা কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়ার জন্য, মানুষ তাদের জন্য দোয়া করছে। আমরা সকলেই একদিন মরে যাব। সংগঠনের কেউ যদি মরে যায়, সেবা গ্রহীতাদের মধ্যে কেউ যদি এক ফোটা চোখের পানি ফেলে, তবেই তো সার্থকতা মানবজনমের। মানুষের দোয়া আমাদের কাম্য, মানুষের জন্যই এই সেবা কার্যক্রম, অব্যাহত থাকবে বলে তিনি মনে করেন।
ইফদার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন
সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান,প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রাহুল কান্তি পাল,অর্থ সম্পাদক নৌশাদ হোসেন রাফিন,দপ্তর সম্পাদক মইনুল ইসলাম অনি,পরিবেশ সম্পাদক প্রীতম চন্দ্র সরকার,ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক সুপ্রিয় নন্দ পাল, সদস্য -শরীফুল ইসলাম সোহাগ,আসলামুর রেজা রাব্বি,রাশেদুল ইসলাম আনাস ও প্রমুখ।