ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে কাছিমপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নৈশ্যপ্রহরী, দপ্তরী ও আয়া নিয়োগে প্রধান শিক্ষক নূরুনবী মোস্তাকিমের বিরুদ্ধে বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগে জানা যায়, দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রচারিত করারপর তা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত না করে প্রধান শিক্ষক নিজ হাতে সংরক্ষণ করেছেন। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডেও দেওয়া হয়নি। লোকমুখে জানারপর আলোচনা সাপেক্ষ কয়েকজন আবেদন করলেও দর-দামে মিল না হওয়ায় অনেক প্রার্থীকেই মৌখিক ভাবে বাদ দিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পুন্ন করার চেষ্টা করছে প্রধান শিক্ষক নূরুনবী মোস্তাকিম। প্রধান শিক্ষক তার পচন্দের প্রার্থীদের কাছ থেকে ২১লাখ ইতোমধ্যে হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ প্রকাশ করা হয়।
নিয়োগ প্রার্থী শান্তা আক্তার জানান, তার স্বামীর সাথে ৪লাখ টাকা দর দাম করার পর অন্য প্রার্থীর কাছ থেকে বেশি টাকা নিয়ে নিয়োগের কার্যক্রম পরিচালনা করছে প্রধান শিক্ষক নূরুনবী মোস্তাকিম।
প্রধান শিক্ষকের এসকল অনিয়নের বিষয়ে নিয়োগ প্রার্থীর নাজমুল ইসলামের পিতা লিটন মিয়া জানান, টাকার জন্য তার ছেলেকে নিয়োগ দিয়ে অপারগতা জানায় প্রধান শিক্ষক।
নিয়োগ প্রার্থী আশিক মিয়া জানায়, আবেদন করেও কোন লাভ হলো না, টাকা না হলে চাকুরি হবে না।
প্রধান শিক্ষক নুরুনবী মোস্তাকিম টাকার লেনদেনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, যথাযথ ভাবে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিয়োগ প্রার্থীদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়াটি চলমান রয়েছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নিয়োগের কার্যক্রম হয়েছে আমি যোগদানের পূর্বে। যেহেতু নির্বাহী অফিসারকে অভিযোগটি দেওয়া হয়েছে, দেখি তিনি কি নির্দেশ দেন। প্রক্রিয়াটি যথাযথ ভাবে না হয়ে থাকলে নিয়োগ বন্ধ থাকবে।