তুমি কি শ্রাবণী
যে শ্রাবণের বারিধারায়
ঝরছো অবিরামভাবে
সারাদিন বৃষ্টি রূপে।
শ্রাবন মেঘের তুমুল গর্জন
তুমি শ্রাবন মেঘেও
কোন সাগরের
আপন গতি ঢেউ।
আজ শ্রাবনের জল আমি
গায়ে মাখাবো
দুরনীলিমায় মেঘের
নিকষ কালো রঙ উড়িয়ে দেব
আজ শ্রাবন ধারায় মন ছুটে যায়
দূরে কোন অজানায়
এমন দিনে এমনও ঘোরও বরষায়
তুমি শ্রাবনের বৃষ্টি
শ্রাবনের বারি ঝরাচ্ছো
আকাশ তুমি এ কি
একটু থামো
আমার প্রিয়জনের অপেক্ষায়
মনের সাথে সাথে
শরীর ভিজে গেলে
তোমার সাথে ভিজবো সমন্বয়ে
মেঘে মেঘে পাড়ি দেবো
দূর বহুদূর
শ্রাবন তুমি আমার
এক পলকের ঝিলিক দেয়া
সোনালী রোদ্দুর।