সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর জাল করে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কমিটিতে পদ পাওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে ছয়জনের বিরুদ্ধে। পরে তাদের বিরুদ্ধে রাজধানীর শাহবাগ থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের উপ আইন সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. জিশান মাহমুদ।
শনিবার (২৪ জুলাই) শাহবাগ থানায় দাখিল করা অভিযোগে বলা হয়, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবুর স্বাক্ষর জাল করে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে মনোনয়নের পত্র দেন ছয়জন। পরে তাদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।
আসামিরা হলেন- শাকিলা পারভীন, মীর হোসেন পাটুয়ারী, জহিরুল আলম পিন্টু, মো. আসাদুজ্জামান, মো. আব্দুস শহীদ ও তোফায়েল আহম্মদ মিন্টু।
অভিযোগ পত্রে আরো বলা হয়, আসামিরা পারস্পারিক যোগসাজসের মাধ্যমে নিজেদের মিথ্যাভাবে উপস্থাপন করে অসৎ উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট ও শেয়ার করে অভিনন্দন গ্রহণ করেন। এছাড়াও ডিজিটাল মাধ্যমে প্রতারণামূলক জাল জালিয়াতি করায় সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
এদিকে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক শনিবার (২৪ জুলাই) সংগঠনের নেতাকর্মীদের অবগত করে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, সম্প্রতি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র পরস্পর যোগসাজশে নিজেদেরকে মিথ্যাভাবে উপস্থাপন করে মিথ্যা বর্ণনায় অসৎ উদ্দেশ্যে ডিজিটাল মাধ্যমে প্রতারণামূলক জাল জালিয়াতি করছে। শুধু তাই নয়, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্যাড সৃজন করে এবং সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর ডিজিটাল মাধ্যমে স্ক্যানিং করে জালিয়াতির মাধ্যমে নিজেদেরকে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার ও প্রকাশ করে সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করেছে ওই চক্রের সদস্যরা। এই বিষয়ে প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার যথাযথ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে সজাগ থাকার আহবান জানাচ্ছি।