শ্যামল ঘোষ, স্টাফ রিপোর্টার
কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে ময়মনসিংহের গৌরীপুরে শুক্রবার (২৩জুলাই/২০২১) উপজেলা নিবার্হী অফিসার হাসান মারুফের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, পুলিশ ও আনসার সদস্য নিয়ে যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও মাস্ক ক্যাম্পেইনে অভিযান পরিচালনা করেন।
মাস্ক ক্যাম্পেইনের অভিযান পরিচালনাকালে গৌরীপুর-শ্যামগঞ্জ সড়কের মেসিডেঙ্গি এলাকায় দ্রুতগামী একটি মোটর সাইকেলের দু’জনের মাস্ক না থাকায় অভিযান করেন ইউএনও হাসান মারুফ। গাড়িটি থামার আদেশ করতেই পিছনে থাকা আবু সাঈদ একটি ব্যাগ নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। অপরজন মোটর সাইকেল আরোহী শিবলু মিয়া মোটর সাইকেলটি নিয়ে দ্রুতগতিতে পালিয়ে যায়। পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা তাদেরকে আটকে অভিযান নামে। এ সময় আবু সাঈদ আনসার সদস্যর হাতে কামড় দিয়ে একটি পুকুড়ে ঝাঁপ দেয়। ব্যাগটি পুকুড়ের পানিতে ফেলে দেয়। পুকুরের তলদেশ থেকে উদ্ধারকৃত আব সাইদের ব্যাগটিতে পাওয়া যায় একশত পিচ ফেনসিডিলের বোতল। সে ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলার কালিবাজাই এলাকার আব্দুল গণির পুত্র। পালিয়ে যাওয়া সহযোগি আকুয়া ভাঙ্গাপুল এলাকার আজিম হোসেনের পুত্র শিবলু মিয়া বলে জানায় গ্রেফতারকৃত আবু সাঈদ। শুক্রবার (২৩জুলাই/২০২১) গ্রেফতারকৃত আবু সাঈদকে ইউএনও ও বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মারুফ এর ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোর্পদ করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে নিয়মিত মামলা দিয়ে গৌরীপুর থানায় সোর্পদ করা হয়। গৌরীপুর থানার সাব ইন্সপেক্টর মো. সামছুল ইসলাম জানান, তার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রুজু হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আবু সাইদ ও উদ্ধারকৃত ফেনসিডিল নিয়ে তাৎক্ষনিক সংবাদ সম্মেলনে ঘটনার বর্ণনা তুলে ধরেন ইউএনও হাসান মারুফ।