আজ বুধবার ৫ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
গৌরীপুরে প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন এমপি’র মন্ডপ পরিদর্শন গৌরৗপুর পৌর শহরের মন্ডপেমন্ডপের উৎসব পরিদর্শন করলেন পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব জুয়েল সতর্ক থাকতে হবে আমাদের অসম্প্রাদায়িক আত্মার যে সম্পর্ক তা যেনো কেউ ভাঙতে না পারে… পাপ্পু গৌরীপুরে সম্প্রীতির বন্ধনে আমরা আবদ্ধ.. মেয়র প্রার্থী শোয়েব মুনশী গৌরীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান গৌরীপুরে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী গৌরীপুরে দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমীতে বর্ণিল শোভাযাত্রা গৌরীপুর ঝলমল সিনেমা হলের প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশন-দোকানপাট ভস্মিভূত গৌরীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার- পরিচ্ছন্নতা অভিযান গৌরীপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত
||
  • প্রকাশিত সময় : এপ্রিল, ২৬, ২০২০, ৬:২৩ অপরাহ্ণ




আল্লাহর কাছে যেভাবে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন

ইসলাম ও জীবন ডেস্ক :

পাপের সাগরে ডুবে থেকে মাঝে মাঝে মানুষ ভুলেই যায় যে, একদিন তাকে আল্লাহতায়ালার সামনে দাঁড়াতে হবে। স্বীকার করতে হবে জীবনের সব কৃতকর্ম।

দুনিয়া নিয়ে মানুষ এত পরিমাণ ব্যস্ত যে, নিজের পাপাচারের দিকে ফিরে তাকিয়ে একটিবার ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ বলারও সময় নেই। অথচ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব মহানবী মুহাম্মদ (সা.) দৈনিক ১০০ বার ইস্তিগফার পাঠ করতেন।

যার জন্য জান্নাত অবধারিত, দুধের চেয়েও সাদা যার জীবনের পাতা, সেই মহামানব যদি প্রতিদিন ১০০ বার ইস্তিগফার পাঠ করেন, তা হলে আমরা কীসের আশায় হাত-পা গুটিয়ে বসে আছি?

কোরআনের আলোকে ইস্তিগফারের গুরুত্ব
আল্লাহতায়ালার ৯৯টি গুণবাচক নামের একটি হলো– الغفار তথা অতিক্ষমাশীল; যিনি বান্দার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দিতে ভালোবাসেন। আল্লাহতায়ালার কাছে ক্ষমা চাওয়ার গুরুত্ব সম্পর্কে কোরআনে কারিমে বহু আয়াত পাওয়া যায়।

আল্লাহতায়ালা বলেন, (হে নবী! আপনি) আমার বান্দাদের বলে দিন– নিশ্চয়ই আমি অতিক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু। (সুরা হিজর: ৪৯)

অন্যত্র আল্লাহ বলেন, যারা অজ্ঞাতবশত পাপাচার করে, অতঃপর তওবা করে ও সৎকর্ম করে, তাদের প্রতি আপনার প্রভু অতিক্ষমাশীল ও অসীম দয়ালু। (সুরা নাহল: ১১৯)

অন্য আয়াতে আল্লাহতায়ালা বলেন, (হে নবী! আপনি) বলুন, হে আমার রব! আমাকে মাফ করে দিন ও আমার ওপর আপনার রহমত বর্ষণ করুন। নিশ্চয়ই আপনি সর্বাধিক দয়ালু। (সুরা মুমিনুন: ১১৮)

হাদিসের আলোকে ইস্তিগফারের গুরুত্ব

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর বহু হাদিসে ইস্তিগফারের গুরুত্ব বর্ণিত হয়েছে।

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যদি কেউ বেশি বেশি কাছে ক্ষমা চায়, আল্লাহতায়ালা তাকে সব প্রকার দুর্দশা থেকে মুক্তি দান করেন, হতাশা ও দুশ্চিন্তা থেকে পরিত্রাণ দান করেন এবং তাকে এমন উৎস থেকে রিজিক দান করেন, যা সে কল্পনাও করতে পারে না। (আবু দাউদ)

আরেক হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি তার পাপাচারের জন্য ইস্তিগফারের মাধ্যমে নিয়মিত আল্লাহতায়ালার কাছে ক্ষমা চাইবে, আল্লাহতায়ালা তার দারিদ্র্য ঘুচিয়ে দেবেন। তাকে সব বিপদ-আপদ থেকে রক্ষা করে সচ্ছলতা ও নিরাপত্তা দান করবেন। এবং সে আল্লাহতায়ালার রহমতে এমন উৎস থেকে রিজিকপ্রাপ্ত হবে, যা সে চিন্তাও করেনি।

অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দৈনন্দিন ২৫-২৬ বার সব মুসলিম নর-নারীর জন্য ইস্তিগফার পাঠ করবে, আল্লাহতায়ালা তাকে মুস্তাজাবুদ দাওয়াহ (যার সব দোয়া কবুল হয়) বানিয়ে দেবেন।

মুস্তাজাবুদ দাওয়াহ হলো এমন ব্যক্তি যিনি দোয়া করা মাত্রই আল্লাহতায়ালা তার দোয়া কবুল করে নেন।

ইস্তিগফারের পদ্ধতি

আল্লাহতায়ালার ক্ষমার দরজা সবসময় খোলা। সুতরাং আগামীকালের জন্য তওবাকে স্থগিত করা যাবে না। কেননা আগামীকাল অনিশ্চিত। তাই কোনো পাপকর্ম সাধন করার সঙ্গে সঙ্গেই ইস্তিগফারের মাধ্যমে তওবা করে নেয়া উচিত।

আল্লাহতায়ালার কাছে তওবা কবুল হওয়ার বেশ কিছু শর্ত রয়েছে-

প্রথমত অতীত গুনাহের ব্যাপারে স্বীকারোক্তি প্রদানপূর্বক আল্লাহতায়ালার কাছে লজ্জিত হতে হবে।

দ্বিতীয়ত ভবিষ্যতে ওই পাপকর্ম না করার ব্যাপারে আল্লাহতায়ালার কাছে প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।

তৃতীয়ত আল্লাহতায়ালার কাছে নিজের কৃত অপরাধের জন্য কায়মনোবাক্যে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে। এবং সর্বশেষ হৃদয় থেকে ওই পাপকর্মকে ঘৃণা করতে হবে।

আর কৃত অপরাধের সঙ্গে যদি কোনো বান্দার হক জড়িত থাকে, তা হলে তা আদায় করে দিতে হবে।

ইস্তিগফারের উপকারিতা

পাপমোচনের একমাত্র উপায় হলো– ইস্তিগফার তথা আল্লাহতায়ালার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা। পাপে ভুগে মানুষ যখন হুঁশ হারিয়ে ফেলে, তখন তওবা-ইস্তিগফারের মাধ্যমে স্রষ্টার নিকট ফিরে গিয়ে মানুষ সঠিক পথের দিশা খুঁজে পেতে পারে।

ইস্তিগফারের মাধ্যমে হতাশা ও দুশ্চিন্তা দূর হয়। এটি আল্লাহতায়ালার রহমত লাভের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

ইস্তিগফারের মাধ্যমে দোয়া কবুল হয় ও রিজিকের দরজা খুলে যায়।

বেশি বেশি ইস্তিগফার করলে জ্ঞান ও কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

প্রতিনিয়ত ইস্তিগফার পাঠের মাধ্যমে আল্লাহতায়ালাকে স্মরণ হয়। আল্লাহতায়ালার সর্বত্র বিরাজমানতা হৃদয়ে আরও গভীরভাবে উপলব্ধ হয়। আর এতে করে পাপাচার থেকে বেঁচে থাকা যায়।




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩
৪৫৭৮৯১০
১১১১৩৪১৫১৬১
৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৯৩০৩১