ময়মনসিংহের গৌরীপুরে বুধবার (২৯ জুলাই/২৬) বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা সোসাইটি ফর এ্যাকশন রিসার্চ এণ্ড ডেভেলপমেন্টের (সার্ড) প্রোগ্রাম অর্গানাইজার মো. আল মামুনের সোনালী ব্যাংকের একাউন্টের অ্যাপস এবং বিকাশ অ্যাপসের গোপন নাম্বার হ্যাক করে, ওটিপি (একবারমাত্র ব্যবহারযোগ্য গোপন কোড) ছাড়াই ১৯হাজার ৪শ টাকা লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় তিনি গৌরীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগ প্রাপ্তি বিষয়টি নিশ্চিত করেন গৌরীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হাবিবুর রহমান। তিনি জানান, অভিযোগের বিষয়ে আইটি বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে জড়িতদের সনাক্ত করার কাজ চলছে।
সার্ডের প্রোগ্রাম অর্গানাইজার মো. আল মামুন জানায়, বুধবার বিকেলে তার মোবাইলে হঠাৎ করে আপলোড সিস্টেম অটোমেটিক চালু হয়ে যায়। তখন তিনি বারবার মোবাইলের অপশানে কাজ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। প্রায় ২০মিনিট পর মোবাইলের অটোঅপশন কাজ সম্পন্ন করে। এরপরে তিনি মোবাইলের মেসেজ অপশনে দেখতে পান তার সোনালী ব্যাংকের একাউন্ট থেকে তার মোবাইলের বিকাশ অ্যাপাসে বুধবার বিকেল ৫টা ৪০মিনিটে ১০ হাজার টাকা, ৫টা ৪৯ মিনিটে ৫ হাজার টাকা, ৫টা ৫২ মিনিটে ৩ হাজার টাকা ও ৫টা ৫৭মিনিটে ১ হাজার ৫শতসহ মোট ১৯ হাজার ৫শ টাকা প্রথমে নিয়ে যায়। এরপরে মোবাইলের বিকাশ অ্যাপসের মাধ্যমে ৫টা ৪৪ মিনিটে ০১৮৩৪৪৬১৩৬৩ নাম্বারে সেন্ডমানি করে ৯ হাজার ৯শত টাকা, ৫টা ৫১মিনিটে একই নাম্বারে ৫ হাজার টাকা, ৫টা ৫৪ মিনিটে ০১৩৫০৬৭৫৩৩৬ নাম্বারে সেন্ডমানি করে ৩ হাজার টাকা এবং ৬টা ৩ মিনিটে ০১৯১৫৮৬৭৬০৫ নাম্বারে ১ হাজার ৫শত টাকা লুট করে নিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, ব্যাংকের একাউন্টের সিকিউরিটি ভেঙে, বিকাশ অ্যাপসের গোপন সিকিউরিটি নাম্বার হ্যাক করে, ব্যাংক ও বিকাশ অ্যাপসের নোটিফিকেশান বা কোনরূপ ওটিপি (সতর্কবার্তা ও গোপনীয় কোড) ব্যতিরেকেই এ টাকা প্রতারকচক্রটি হাতিয়ে নিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে গৌরীপুর সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ফজলে নূর জানান, তিনি হয়তো ক্ষতিকারক কোনো অ্যাপসে প্রবেশ করায় এমনটা হয়ে থাকতে পারে। ব্যাংকের ওটিপি ছাড়া কোন অবস্থাতেই টাকা ট্রান্সফার হওয়ার সুযোগ নেই।