সাংবাদিকদের কাজ হচ্ছে নূতন উদ্ভাবিত জিনিসগুলো খোঁজে খোঁজে বের করে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা। সাংবাদিকদের রাজনীতি করার প্রয়োজন নেই। সাংবাদিকদের কাজটুকু যদি সাংবাদিকরা করে তাহলে সমাজ, রাজনীতি ও রাষ্ট্রও উপকৃত হবে। সাংবাদিকদের রাজনৈতিক সচেতন হতে হবে। তবে রাজনীতির ভিতরে তাদের ঢুকে পরতে হবে বলে আমি মনে করি না। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বুধবার (১০ জুন/২৬) গৌরীপুর প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের মান ধরে রাখতে হবে। সমাজের সমস্যাগুলো উঠে আসে। সমাজের চোখ হলো সাংবাদিক, সমাজের দর্পণ। সেই হিসাবে কাজ করলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে, সমাজ-রাষ্ট্র ও রাজনীতিতেও উন্নতি হবে।
ময়মনসিংহের গৌরীপুর প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের আগমন উপলক্ষ্যে সংবর্ধনা ও সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি বেগ ফারুক আহাম্মেদ। সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব। সাংবাদিকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি কাজী আব্দুল্লাহ আল আমিন, সাবেক আহ্বায়ক মো. রইছ উদ্দিন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হাবিবুল ইসলাম খান শহীদ, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আলী আকবর আনিছ, ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব রমজান হোসেন খান জুয়েল, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম তালুকদার, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আফরোজা আক্তার সোমা, শাহজাহান কবীর হিরা, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা যুবদলের সভাপতি শামছুল ইসলাম (ভিপি শামছু), সিনিয়র সহসভাপতি মাহফুজুর রহমান, সহসম্পাদক শোয়েব মুনশী, ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি নুরুজ্জামান সোহেল প্রমুখ।
সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স আরও বলেন, বিগত ১৫-১৬ বছর যা হয়েছে, সেগুলো রাজনীতি না, অপরাজনীতি, সেটা বললেও কম বলা হবে। রাজনীতিতে দুর্বৃত্তায়ন করা হয়েছে। সেটার ধাক্কা কি আমাদের গায়ে লাগে নাই; লেগেছে। এ সময়ে আমাদের নেতাকর্মীরা মামলা-হামলা, মার খেতে খেতে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। তাদের ব্যবসা, বাণিজ্য, চাকুরী নেই। চাকুরি করার বয়সও নেই। তাদেরকে কর্ম করতে হবে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যে রাজনীতি সেখানে বেকার থাকা যাবে না। কর্ম করতে হবে, সেই কর্মটা করতে হবে বৈধপথে। অবৈধ বা অনৈতিক পথে পা বাড়ানো যাবে না।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদী আমলে অনেকেই আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে গেছে। আমি কেন হবো না; আমাদের মধ্যেও হয়তো কিছু নেতাকর্মীর এমন টেনডেনসিও থাকতে পারে। তবে সেই পথে চলা যাবে না। সেই দিকেও সাংবাদিকদের দৃষ্টি রাখতে হবে।