শহরজুড়ে বাড়ছে আর্জেন্টিনার পতাকা! বাড়ছে সমর্থক। বাড়তি চাহিদা পূরণে দোকানীরা হিমসিম খাচ্ছেন ময়মনসিংহের গৌরীপুরে। ঈদের চাহিদাকেও হার মানিয়েছে এবার বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মোদনায় জার্সির চাহিদা। শুক্রবার (১৯জুন/২৬) সাপ্তাহিক ছুটিতে কাপড়ের অনেক দোকান বন্ধ থাকলেও জার্সির দোকান ছিলো খোলা ও উপচেড়া ভিড়।
পৌর শহরের নতুনবাজার মহল্লার জামাল উদ্দিনের পুত্র বাবুল মিয়া জানান, আর্জেন্টিনা জার্সি একশো বিক্রি হলে সেখানে ব্রাজিলের ৬/৭টি বিক্রি হচ্ছে। ব্রাজিলের জার্সির চাহিদা নেই। তিনি আরও বলেন, ঈদেও জামাকাপড়ের এতো চাহিদা ছিলো। ওই সময় ৫০হাজার টাকার মাল কিনলে লাভ হতো ৭-৮হাজার টাকা। এখন ৫০হাজার টাকার জার্সি কিনে আনলে বিক্রি করে লাভ ১২-১৫হাজার টাকা। আর্জেন্টিনার জার্সির চাহিদা এতোবেশি যে, একদিকে আনতেছি, অন্যদিকে শেষ হয়ে যাচ্ছে।
বাবুল বলেন, আমিও আর্জেন্টিনার একজন ভক্ত। এখন পর্যন্ত একটি খেলা মিস করি নাই। যতোকষ্টই হোক প্রতিটি খেলা দেখছি। পাশ্ববর্তী দোকানদার নাজমুল হক জানায়, সব এখন আর্জেন্টিনা। অন্যদলের সমর্থক খুব কম। লামাপাড়া মাদরাসার শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান, সাইদুল হক ও নেজামুল ইসলাম জানায়, পুরো শহর খোঁজেও ইরানের একটি জার্সি পাইনি, এটা খুব কষ্ট লেগেছে।
আর্জেন্টিনা সমর্থক সাইদুর রহমান লিটু জানায়, বাপ-দাদাদের কথা শোনে ম্যারাডোনার ভক্ত হয়েছিলাম। তাদের সাথে গিয়ে খেলা দেখে আর্জেন্টিনাকে ভালোবেসে ফেলেছি। ৯৪’র বিশ্বকাপ থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট ছাড়াও ক্লাব পর্যায়ের অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনার প্রত্যেকটি খেলা উপভোগ করি। এখন আমাদের মেসি আছে। বিগত বিশ্বকাপ আমরা জিতেছি, ইনশাল্লাহ এবারও জিতে বিজয় উল্লাস করবো। আর্জেন্টিনা ফ্যান ক্লাবের সদস্য শংকর ঘোষ পিলু জানায়, আমরা আর্জেন্টিনা ভক্তরা আমরা ইতোমধ্যে শহরে বর্ণিল শোভাযাত্রা করেছি। আমরা বিশ্বকাপ মানেই আর্জেন্টিনাকে বুঝি, আমাদের স্বপ্ন ও প্রাপ্তি সব এখন আর্জেন্টিনায়।