ময়মনসিংহের গৌরীপুরে শনিবার (৭ জুন/২০২৫) ঈদ উল আজহায় প্রধান আকর্ষণ ছিলো ত্যাগের মহিমায় পশু কুরবানী। তবে সেই কুরবাণী পশুর চামড়ার বাজারে ছিলো না ট্যানারি শিল্পের কোনো প্রতিনিধি ও বেপারী (মহাজন)। ফলে ফরিয়া ও চামড়া বিক্রি করতে আসা সাধারণ মানুষ চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়েন। চামড়ার বাজারমূল্যেও ধস নামে। শ্যামগঞ্জের জয়নাল আবেদিন জানান, ৪লাখ ২৮হাজার টাকার ষাঁড়ের চামড়া বিক্রি হয়েছে ৪শ ৭০টাকা। গজন্দর গ্রামের মোস্তফা আহাম্মদ জানান, ১৯হাজার টাকা মূল্যের খাসির চামড়া ১০টাকায় বিক্রি করেছেন। বিভিন্ন মাদরাসা থেকে সংগৃহিত ৫২টি খাসির চামড়া বিক্রি হয়েছে ৫২০টাকা। সতিশা গ্রামের আমজাত আলী জানান, ২৯টি ষাঁড়ের চামড়া নিয়ে এসেছেন। এরমধ্যে ৩লাখ টাকার ষাঁড়ের চামড়াও রয়েছে। বাজারের এসেছেন দুই ঘন্টা হলে গেলো এখন পর্যন্ত কোনো পাইকার দাম বলেনি। গাজীপুরের আব্দুস সবুর বলেন, চামড়ার একটা বেল্টের দাম ৮ হাজার থেকে ৩হাজার টাকা। জুতা ২হাজার টাকার নিচে নাই। শুধু নাই, গরীবের আনা চামড়ার দাম! কোনাপাড়া গ্রামের আবুল হাসিম জানান, ২লাখ ২০হাজার টাকার গরুর চামড়া বিক্রি হয়েছে মাত্র সাড়ে ৪শ টাকা। পুর্বদাপুনিয়ার আহাম্মদ আলী জানান, ২৮হাজার টাকা মূল্যের খাসি। শখ করে সবাই ‘বাহাদুর’ নামে ডাকত। তার চামড়া বিক্রি করলাম ২০টাকা। হাটশিরার আব্দুল্লাহ আল নুরী জানান, ১৯হাজার টাকা মূল্যের খাসির চামড়া ৩০টাকায় বিক্রি হয়েছে। বোকাইনগর ইউনিয়নের আব্দুর রাজ্জাক জানান, ১লাখ ৭৮হাজার টাকা মূল্যের রাজধলা নামক ষাঁড়ের চামড়া তিনি বিক্রি করেছেন মাত্র ৪শ টাকায়।