আজ রবিবার ৮ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৩শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
বাংলাদেশ ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে.. ড. এ টি এম বদরুজ্জামান এসিল্যান্ড সুনন্দাকে বিদায় সংবর্ধনা দিল গৌরীপুর প্রেসক্লাব শতভাগ ফেল লক্ষিপুর দাখিল মাদরাসা ॥ পাশের চেয়ে ফেল বারগুণ! গৌরীপুরে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮১ জন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী’র সহধর্মিনীর রোগমুক্তি কামনা অনুষ্ঠানে ॥ নববধূর হাতের রঙ মোছার সময়ও বর্তমান সরকারের হয়নি গৌরীপুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়ান দিবসে আলোচনা ও সংগীতানুষ্ঠান নেত্রকোণায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে নদী ও খালপাড় রক্ষায় বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে সভা গৌরীপুরে ফুটবল আনতে গিয়ে খালের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু! দেশে আসেন, দেখা হবে রাজপথে: হাসিনাকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জুলাই পুণ:জার্গরণে গ্র্যাফিতিতে গৌরীপুর দর্শনার্থীদের ভিড়
নিজস্ব প্রতিবেদক || তাহিরপুর
  • প্রকাশিত সময় : এপ্রিল, ২২, ২০২৫, ১০:২৯ পূর্বাহ্ণ




হেলাল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৩ ভাই গ্রেফতার

সুনামগঞ্জের শাল্লায় আলোচিত হেলাল হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তিন সহোদরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোমবার ভোরে উপজেলার কার্তিকপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। আর একইদিন বিকালে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিশেনের (পিবিআই) কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরার হলেন- কার্তিকপুর গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে ইউসুফ মিয়া, রিকসন মিয়া ও আলমগীর মিয়া। গ্রেফতারকৃতরা সবাই সম্পর্কে হেলালে চাচাতো ভাই।

শাল্লা থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গ্রেফতারের পর তাদের পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। একই ঘটনার ২০২৪ সালে আরও চার আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।’

নির্জন হাওরে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার হেলাল উদ্দির উপজেলার কার্তিকপুর গ্রামের কুদ্দুছ মিয়ার ছেলে। ২০২৩ সালের ২৭ জুন শাল্লার দুর্গম এলাকা সাতপাড়া বাজারে প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে হেলালকে হত্যা করা হয়।

ওই দিন সাতপাড়া বাজারে সরকারি খাস খতিয়ানভুক্ত বাজার ভিটায় একটি দোকান নির্মাণ করাকে কেন্দ্র করে কার্তিকপুর গ্রামের ইউসুফ মিয়া ও প্রতিপক্ষ মজিবুর রহমানের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষে মজিবুর রহমানের সমর্থক হাবিবুর রহমান নামে এক ব্যক্তি প্রাণ হারান।

সংঘর্ষের সময় ইউসুফ মিয়ার চাচাতো ভাই হেলাল ছিলেন হবিগঞ্জের আজমিরিগঞ্জে। দুপুরের পর হেলাল নিজ এলাকায় ফেরেন। বলির পাঠা বানিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর প্রতিশোধ নিতে চাচাতো ভাই ইউসুফসহ অন্যরা বেড়ানোর কথা বলে ট্রলারে করে নির্জন হাওরে তুলে নিয়ে যান হেলালকে। এরপর নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুড়ির নির্জন হাওরে তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। পরে হাওর থেকে মরদেহ উদ্ধারের নাটক তৈরি করেন ইউসুফ ও তার লোজকন।

এ ঘটনায় মৃতের বোন মিনারা বেগম মুজিবুরসহ ৩৪ জনকে আসামি করে শাল্লা থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে তাদের কুট কৌশল বুঝতে পেরে ২০২৩ সালের ১০ জুলাই সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে বৈঠকে মামলাটি পিবিআইয়ের নিকট হস্তান্তর করা হয়। পিবিআইয়ের তদন্তে বেরিয়ে আসে হত্যার মূল কারণ।

মামলার তদন্তে থাকা পিবিআই কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম বলেন, মুজিবুর রহমানের সমর্থকদের ফাঁসাতে হেলালকে হত্যা করেছে তারই তিন চাচাতো ভাইসহ তাদের লোকজন।




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১