ওয়ান-ইলেভেন সরকারের আমলেও হাসিনা পালিয়েছে। তখনও বেগম খালেদা জিয়া এদেশে থেকে দেশের মানুষের জন্য যুদ্ধ করেছেন। তিনি পালিয়ে যাননি। ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের অত্যাচার-নির্যাতনের পরেও এদেশ থেকে খালেদা জিয়াকে এক মিনিটের জন্য দেশের বাহিরে নিতে পারেন নাই। তিনি এদেশের গণতন্ত্রের জন্য, গণমানুষের মুক্তির জন্য দেশের মাটিতে আঁকড়ে রয়েছেন। অথচ চব্বিশের জুলাই বিপ্লবেও হাসিনা পালিয়েছে। খালেদা জিয়া লড়াই করে আর হাসিনা পালিয়ে যায়! এটাই চিরন্তন সত্য। ময়মনসিংহের গৌরীপুরে শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি/২৫) রাতে নিজ নির্বাচনী এলাকায় মতবিনিময় সভায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব কবি সেলিম বালা এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, এদেশটা কারো বাবার নয়, যে একদলীয় বাকশাল কায়েম হবে। যতবার গণতন্ত্রের উপর জুলুম হয়েছে ততবার শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের গড়া সৈনিকরা লড়াই করেছে। গণতন্ত্র পুন:উদ্ধার করেছে। উপজেলার অচিন্তপুর ইউনিয়নের মুখুরিয়া বাজারে ১৪৮ ময়মনসিংহ -৩ গৌরীপুর সংসদীয় আসনে বিএনপি থেকে প্রার্থিতা ঘোষণা উপলক্ষ্যে এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময় করেন মনোনয়ন প্রত্যাশী কবি সেলিম বালা। তিনি বলেন, শুধু গৌরীপুর নয়, সারাদেশে ধানের শীর্ষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আগামী সংসদ নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থীদের বিজয়ী করতে হবে। আমাদের নেতা তারেক রহমান, তিনি আমাদের শিখিয়েছেন রাজনীতি মানে ভোগবিলাসিতা নয়, মানুষের উন্নয়ন, জনমানুষের কল্যাণ, জনগণের সেবা করা। আর বিএনপি হলো গরীব-মেহনতি মানুষের দল। সেই দল ক্ষমতা গেলে দেশের উন্নয়ন হয়। তিনি আরও বলেন, অতীতে এই এলাকা থেকে অনেকেই এমপি-মন্ত্রী হয়েছেন। তারা নিজেদের ভাগ্যের উন্নয়ন করেছেন। আমি নির্বাচিত হলে ইতিহাস হবে উন্নয়নের ইতিহাস, মানুষের সেবার ইতিহাস, আপনাদের নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার অনন্য এক ইতিহাস। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন গ্রামের প্রবীণ ব্যক্তিত্ব মাওলনা মো. আব্দুল হাদী খন্দকার। সঞ্চালনা করেন কবি জিল্লুর রহমান টিটু। বক্তব্য দেন ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান সোহেল, ডক্টর এম আর করিম উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক নাজমুল ইসলাম জুয়েল প্রমুখ।