আজ বুধবার ৫ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
গৌরীপুরে প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন এমপি’র মন্ডপ পরিদর্শন গৌরৗপুর পৌর শহরের মন্ডপেমন্ডপের উৎসব পরিদর্শন করলেন পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব জুয়েল সতর্ক থাকতে হবে আমাদের অসম্প্রাদায়িক আত্মার যে সম্পর্ক তা যেনো কেউ ভাঙতে না পারে… পাপ্পু গৌরীপুরে সম্প্রীতির বন্ধনে আমরা আবদ্ধ.. মেয়র প্রার্থী শোয়েব মুনশী গৌরীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান গৌরীপুরে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমী গৌরীপুরে দুর্গোৎসবের মহাসপ্তমীতে বর্ণিল শোভাযাত্রা গৌরীপুর ঝলমল সিনেমা হলের প্রত্নতাত্ত্বিক নির্দশন-দোকানপাট ভস্মিভূত গৌরীপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার- পরিচ্ছন্নতা অভিযান গৌরীপুরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত
বাহাদুর ডেস্ক || ওয়েব ইনচার্জ
  • প্রকাশিত সময় : জানুয়ারি, ৩১, ২০২৫, ৬:২২ অপরাহ্ণ




বাংলাদেশে বিশ্ব ইজতেমা শুরুর ইতিহাস

গাজীপুরের টঙ্গীর তুরাগ নদের তীরে শুক্রবার ফজরের নামাজের পর তাবলিগ জামাতের শীর্ষ মুরুব্বি পাকিস্তানের মাওলানা জিয়াউল হকের আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ৫৮তম বিশ্ব ইজতেমার প্রথমপর্ব। ২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তা শেষ হবে।

ইজতেমা। বহুল উচ্চারিত একটি আরবি শব্দ। অর্থ হলো সম্মেলন, সমাবেশ বা জমায়েত। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের লোকজন ছাড়াও লাখ লাখ মানুষ উপস্থিত হয়েছেন এ ইমানি মজমায়।

ইসলামের মৌলিক বিশ্বাস, ধর্মের পূর্ণাঙ্গ অনুশীলন এবং আলো আঁধারিতে অবিরাম ইবাদতে মুখরিত কহর দরিয়ার তীর।

কখনো জিকির, তেলাওয়াত ও দরুদ পাঠ বা  দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় কান্না ভেজা দোয়ায় কহর দরিয়ার  তীরে বিরাজ করছে ব্যতিক্রমধর্মী আমলী এক আবহ।

তাবলিগী এই ইজতেমার যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৯৪১সালে। দিল্লির নিজামুদ্দীনের এলাকার মেওয়া নামক স্থানে। এতে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ অংশ নেন। কিন্তু ২০২৩-এ এসে  তা ২৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের মতে, বর্তমানে ১৫০টির বেশি দেশে তাবলিগ জামাতের প্রায় ৮ কোটি অনুসারী আছে।

বাংলাদেশে প্রথম ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৬ সালে কাকরাইল মসজিদে। তখন তাবলিগের আমির ছিলেন মাওলানা আবদুল আজিজ রহ.। তিনি বাংলাদেশে তাবলিগ জামাতের প্রথম আমির। তার হাত ধরেই তাবলীগের কাজ সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

এদেশে দ্বিতীয়বার ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয় ১৯৫৪ সালে লালবাগ শাহী মসজিদে।তৃতীয়বার অনুষ্ঠিত হয় ১৯৫৮ সালে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে।

এরপর ১৯৬০,৬২ ও ৬৫ সালের ইজতেমাগুলো অনুষ্ঠিত হয় ঢাকার রমনা উদ্যানে। দিন দিন এ ইমানি কাজের পরিধি বৃদ্ধি পায়। ফলে তখনকার ইজতেমা গুলোতেও  মানুষ দলে দলে যোগদান করতে থাকে শুরু করে। ফলে স্থান সংকলন না  হওয়ায় বিস্তীর্ণ খোলা জায়গায় চিন্তা ভাবনা শুরু হয়। ফলে ১৯৬৬ সালে ইজতেমার স্থান পরিবর্তন করা হয়। ঢাকা রমনার পরিবর্তে নতুন স্থান নির্ধারণ হয়  টঙ্গীর পাগার মাঠে।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টঙ্গীর তুরাগ তীরবর্তী মাঠটি  ইজতেমার জন্য বরাদ্দ করে দেন। (সূত্র: তাবলিগ জামায়াত, ড. মুহাম্মদ ইয়াহইয়া আখতার)

তারপর থেকে অদ্যাবধি ১৬০ একর বিশাল ময়দানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তর এই  ইজতেমা। ইমানী এই মজমার সৌরভে মুক্তির পথ পেয়ে যাক সকল মানুষ।




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 ১২৩
৪৫৭৮৯১০
১১১১৩৪১৫১৬১
৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৯৩০৩১