ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম.এ কাইয়ুমকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ ঘটনায় শনিবার গৌরীপুর থানায় মামলা হয়েছে। পাল্টা মামলা করেছেন নন্দীগ্রামের নাজিম উদ্দিন। কাইয়ুম চেয়ারম্যানকে গুলিবর্ষণের ঘটনায় ২জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
চেয়ারম্যানকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান এম.এ কাইয়ুম বাদী হয়ে গৌরীপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ডৌহাখলা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও ডৌহাখলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক সরকার ছাড়াও ৫জনের নামউল্লেখ এবং অজ্ঞাতনামা ২০/২২জনকে আসামী করা হয়েছে। অপর মামলা দায়ের করেন নন্দীগ্রামের নাজিম উদ্দিন। এ মামলায় বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান এম.এ কাইয়ুমসহ ২০/২৫জনকে আসামী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের পরাজিত দোয়াত-কলম প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী ডৌহাখলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম.এ কাইয়ুমকে লক্ষ্য করে গত বুধবার (২২ মে /২০২৪) গুলিবর্ষণ ও হামলার ঘটনা ঘটে। একই সময়ে ডৌহাখলা ইউনিয়নের কলতাপাড়া বাজারের আজিজুল ইসলাম কনফেকশানারী দোকান, সিদ্দিকুর রহমানের মোবাইলের দোকান, হাবিব উল্লাহ মেম্বারের মিষ্টি দোকান, জামানের দোকান ও বাসা এবং গাজীপুর সিংজানীর লেবুর মোড়ে মৃত হযরত আলীর পুত্র গোলাম রব্বানীর মনোহারী দোকান, গাজীপুর বাসস্ট্যান্ড বাজারে নুর ইসলামের ২টি দোকান, ডিলার মোশাররফ হোসেনের দোকান ও ডিলার মোহাম্মদ আলীর দোকানে হামলা ও ভাংচুর করা হয়েছে। একই দিনে নন্দীগ্রামের বিলপাড়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী দোয়াত-কলমের কর্মী-সমর্থকদের হামলার আরেকটি ঘটনা ঘটে। উভয় মামলা শনিবার (২৫ মে/২০২৪) গৌরীপুর থানায় দায়ের করা হয়।
এ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীকের প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সোমনাথ সাহা ৫৪ হাজার ৯২১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি দোয়াত-কলম প্রতীকের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মোফাজ্জল হোসেন খান পেয়েছেন ৪৮হাজার ৫৯ভোট।