জীবন যুদ্ধে হার না মানা যুবক পঙ্গুঁ সবুজ মিয়া(৩২)। পঙ্গু যুবক সবুজ মিয়া উপজেলার গালাগাঁও ইউনিয়নের চড়ারকান্দা গ্রামের মোঃ আমজাত আলীর পুত্র।বাপ মাযের একমাত্ন পুত্র সন্তান টকবকে যুবক সবুজ মিযা স্রী,সন্তান নিয়ে সুখেই ছিল। নারায়ণগন্জ ডায়িং এ শ্রমিক হিসাবে কাজ করে স্রী, সন্তান ও পিতামাতা নিয়ে ছিল সুখী সংসার। বিগত ৭/৮ বছর আগে নিজ বাড়িতে নাবিকেল গাছ থেকে বিদ্যৎ শর্টে গাছ থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয় ।মেরুদন্ড ভেঙে চুরমার হয়ে পঙ্গুত্ব বরন করে। দীর্ঘ দিন চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে সংসারের হাল ধরেন। স্থানীয় ভাবে তৈরী রিক্সার চাকার হুইল চেয়ারে হ্যস্ডেল ও ব্যাটারী চালিত গাড়িতে বসে ঝাল মুড়ি বিক্রি করে চলছে প্রতিবন্ধী সবুজের অভাব অনটনের সংসার। এর পরও হাল ছাড়েনি সবুজ। সংসারের জোয়াল টেনেই চলছে। এর পর ও সুখী সংসার ধরে রাখতে পারেনি। পঙ্গুত্ব ও অভাব অনটনের সংসার ছেড়ে স্রী ও তার একমাত্র সন্তান সহ চলে যায়। বুদ্ধ পিতামাতার একমাত্র পুত্র সন্তান সবুজ হাল ছারেনি। ভিক্ষা ভিত্তি নয়, শুরু করেন ঝাল মুড়ির ফেরি ব্যবসা। প্রতিদিন সকাল ৯টায় থেকে ১টায় পর্যন্ত বিভিন্ন স্কুলের সামনে বিক্রির আশায় বসে থাকেন।
সবুজ মিয়া জানান, পঙ্গুত্ব আমার সুখ কেড়ে নিয়ে গেছে। তবুও বৃদ্ধ মা বাবাকে নিয়ে সংসারের হাল ধরতে ক্ষুদ্র ব্যবসা করছি।