উপজেলা নির্বাহী অফিসারের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদের সহযোগিতায় সকল দপ্তরের অংশগ্রহণে উপজেলা পরিষদের অব্যবহৃত জমি চাষের আওতায় আনা হয়েছে।
মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুশাসন ‘এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে’ বাস্তবায়নে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিজাবে রহমত এর উদ্যোগে সবজি চাষ এগিয়ে যাচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, এসি ল্যান্ড, প্রাণিসম্পদ, কৃষি, মৎস্য, পিআইও, উপজেলা প্রকৌশলী, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী, হিসাবরক্ষণ, পল্লী উন্নয়ন, আনসার ও ভিডিপি, পাট উন্নয়ন, শিক্ষা ও সমাজসেবা অফিসার এ চাষাবাদ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে। জানা গেছে, প্রায় ১.৫০ একর শীতকালীন প্রায় সকল সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি, গাজর, মুলা, আলু, পিয়াজ, মরিচ, রসুন, বেগুন, ঢেঁড়স, লাল শাক, পালং শাক, সরিষা, চিনাবাদাম, মিষ্টি কুমড়া চাষাবাদ করা হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট ফজলুল হক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন বাস্তবায়নে ইউএনও মহোদয় যে উদ্যোগ নিয়েছেন তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। সকল অফিসাররা ফসল ফলাচ্ছে। নিজেরা খাচ্ছেন, আগত সেবা প্রার্থীদের দেন, একটা উৎসব যেন।
সমাজসেবা অফিসার জনাব রুবেল মন্ডল বলেন, এ জায়গাটা দেখতে খুব সুন্দর লাগে। ময়লা আবর্জনা ছিল আগে আর এখন দেখলেই মন ভালো হয়ে যায়। অন্যান্য উপজেলা পরিষদেও এটি অনুশীলন করা দরকার।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মিজাবে রহমত বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনটি প্রথম থেকেই আমাকে আলোড়িত করে। এমন বিজ্ঞান ও বাস্তবসম্মত নির্দেশনা অনন্য। ফলে আমরা বিভিন্ন অফিস প্রাঙ্গনে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিত্যক্ত জমি চাষের আওতায় আনতে কাজ করে যাচ্ছি। তারই ধারাবাহিকতায় উপজেলা পরিষদের অব্যবহৃত প্রায় ১.৫০ একর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষ করে আবাদের আওতায় আনা হয়েছে। সবার উচিত যার যতটুকু জমি আছে তা চাষের আওতায় আনা।
ইউএনওর এমন উদ্যোগ উপজেলায় সারা ফেলেছে।