শরৎ মানেই সাদা রঙের খেলা।নীল আকাশে সাদা মেঘ আর নদীর বুকে জেগে উঠা চরে দোল খাওয়া কাঁশবন মনে অন্য রকম অনুভূতি জোগায়। শারদীয় এ ঋতুতে ভ্রমনবিলাসীদের প্রথম পছন্দ কাঁশবন। কাঁশ ফুলের ছোঁয়া পেতে দুর দুরান্ত থেকে ছুটে আসে প্রকৃতি প্রেমী মানুষজন। কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের বারোমাসিয়া নদীর চরে দোল খাচ্ছে কাঁশ বন। বিনোদন প্রেমিকরা কাঁশ বনে পিকচার সহ নানান ধরনের বিনোদন নিচ্ছে। শুধু বারোবাসিয়া চরেই নয় এ চিত্র এখন কুড়িগ্রাম জেলার ১৬টি নদ নদীর সাড়ে চারশত চরাঞ্চলের বুকে।এই কাঁশবন গুলো শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলে নি, সেই সাথে কাশগাছ বিক্রি করে অনেকেই জীবিকা নির্বাহ করছেন।কোন প্রকার খরচ ছাড়াই এক বিঘা জমির কাশ বন বিক্রি করে ১৪-১৫ হাজার টাকা আয় করা যায় অনায়সে। অনাবাদী বালু চরে বন্যার পরে এসব কাঁশ গাছ জন্মে। ৫ থেকে ৬ মাসের মধ্যে গাছগুলো বড় হয়ে বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠে। কুড়িগ্রামে ৪২০টিরও বেশি চরাঞ্চলে রয়েছে। এসব চরে এখন কাশফুলের সমারোহ।ঘুরতে আসা বিনোদন প্রেমিকরা বলেছেন,অনেক দূর থেকে ঘুরতে আসছি খুবই ভালো লাগছে,পিকচার উঠিলাম অনেক মজা করলাম।