আজ শুক্রবার ৬ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২১শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
বাংলাদেশ ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে.. ড. এ টি এম বদরুজ্জামান এসিল্যান্ড সুনন্দাকে বিদায় সংবর্ধনা দিল গৌরীপুর প্রেসক্লাব শতভাগ ফেল লক্ষিপুর দাখিল মাদরাসা ॥ পাশের চেয়ে ফেল বারগুণ! গৌরীপুরে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৮১ জন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী’র সহধর্মিনীর রোগমুক্তি কামনা অনুষ্ঠানে ॥ নববধূর হাতের রঙ মোছার সময়ও বর্তমান সরকারের হয়নি গৌরীপুরে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়ান দিবসে আলোচনা ও সংগীতানুষ্ঠান নেত্রকোণায় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে নদী ও খালপাড় রক্ষায় বিন্না ঘাসের ব্যবহার নিয়ে সভা গৌরীপুরে ফুটবল আনতে গিয়ে খালের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু! দেশে আসেন, দেখা হবে রাজপথে: হাসিনাকে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি জুলাই পুণ:জার্গরণে গ্র্যাফিতিতে গৌরীপুর দর্শনার্থীদের ভিড়
মো. সেলিম || ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত সময় : ডিসেম্বর, ৯, ২০২১, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ণ




আজ ৯ ডিসেম্বর ঈশ্বরগঞ্জ মুক্ত দিবস

১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর এই দিনে ঈশ্বরগঞ্জ থানা পাক হানাদার মুক্ত হয়েছিল। রক্তঝরা সেই উত্তাল দিনে ময়মনসিংহ জেলার ঈশ্বরগঞ্জ থানার দামাল ছেলেরা মাতৃভূমিকে শত্রুমুক্ত করার দীপ্ত শপথ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মহান মুক্তিযুদ্ধে। নিজ থানা শত্রুমুক্ত করতে ১৬ অক্টোবর রাতে কাজী আলম, আলতাফ ও হাবিবুল¬াহ খান-এ তিন কোম্পানির মুক্তিযোদ্ধারা মাইজহাটি রেলওয়ে ব্রীজ ও টেলিফোন লাইন বিচ্ছিন্ন করে। বর্তমান ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে রামগোপালপুর সংলগ্ন কটিয়াপুরী ব্রীজটি বিধ্বস্ত করতে গেলে রাত প্রভাত হয়ে যায়। পরে দিনের বেলায় আক্রমণ না করে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় মুক্তিযোদ্ধারা। কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা সংগঠক হাসিম উদ্দিন আহামেদ দিনের বেলাতেই থানা আক্রমণ করতে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্বুদ্ধ করেন। তিন কোম্পানির মুক্তিযোদ্ধারা পরে সড়ক পথে অগ্রসর হয়ে দত্তপাড়া শ্মশান ঘাটে এসে তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। তিন গ্রুপের নেতৃত্রে ছিলেন যথাক্রমে কাজী হাসানুজ্জামান হিরো, হাবিবুর রহমান আকন্দ হলুদ ও মতিউর রহমান। আক্রমণের রূপরেখা অনুযায়ী কোম্পানি কমান্ডার আব্দুস সালামের নির্দেশনায় মতিউর রহমান ও আব্দুস ছাত্তার গ্রুপ চরহোসেনপুর নলুয়াপাড়া জামে মসজিদের পাশ থেকে এক যোগে আক্রমণ করবে। কিন্তু রূপরেখা অনুযায়ী থানা সদরে প্রবশ করতে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। ভেঙ্গে পড়ে চেইন অব কমান্ড। ফলে অভিযান ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। এ ব্যর্থতার কারণ ছিল দিনের বেলায় থানা আক্রমণ এবং মুক্তিযোদ্ধারা স্থানীয় হওয়ায় দায়িত্বের প্রতি চরম অবহেলা। এ অবহেলার করণে ওই দিন যুদ্ধে বীর মুক্তিযোদ্ধা শামছু, মান্নান, আনোয়ার, তাহের, মতিউর, আঃ খালেক ও হাতেম আলী পাক বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন।

৮ ডিসেম্বর পুনরায় মুক্তিযোদ্ধারা সু-সংগঠিত হয়ে থানায় আক্রমণ করে। আক্রমণের ভয়াবহতায় ভীত হয়ে পাকহানাদার ও তাদের দোসর রাজাকাররা গভীর রাতে থানা প্রাঙ্গণ থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। ৯ ডিসেম্বর তাই ঈশ্বরগঞ্জ বাসীর কাছে অত্যান্ত গর্বের ও অহংকারের দিন। এ দিন থানা শহরে বেদনা বিধূর পরিস্থিতিতেও ফুটে উঠেছিল বিজয়ের মহা আনন্দ। ওই দিন শহীদদের রক্তøান সকালে থানার বীর সন্তান মুক্তিযোদ্ধা ও গণ্যমান্য ব্যাক্তিরা সম্মিলিত ভাবে ঈশ্বরগঞ্জকে মুক্ত দিবস ঘোষণা করে স্বাধীনতার প্রতীক জাতীয় পতাকা ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড পতাকা উত্তোলন করেন।
দিবসটি পালন উপলক্ষে ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলা পরিষদ ও মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন দিনব্যাপি কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, আতশবাজি,প্রতাকা উত্তোলন, শহীদদের কবর জিয়ারত, র‌্যালিম মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা, স্মৃতি চারণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

 




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১