আজ মঙ্গলবার ২২শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশে টানা দুই দিন কোনো লোডশেডিং হয়নি: বিদ্যুৎ বিভাগ নেত্রকোনায় পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন গৌরীপুরে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত আপনারা ভাববেন, আপনারা একজন শিক্ষক, কোনো দলের নেতা নন :ডেপুটি স্পিকার ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতির সব পদে বিএনপিপন্থিরা বিজয়ী লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগ দিতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী গৌরীপুর মহিলা কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষে পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা গৌরীপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষ্যে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা গৌরীপুরে শিশুদের হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুটি টিকাদান ক্যাম্পেইন
||
  • প্রকাশিত সময় : মে, ২৯, ২০২০, ৫:৫১ অপরাহ্ণ




বাংলাদেশে বিড়ি-শ্রমিক: এনবিআর এর গবেষণা বলছে ৪৬ হাজার, কারখানা মালিকদের দাবি ২০ লাখ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :

বিড়ির সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি করা, সম্পূরক শুল্কের একটি অংশ সুনির্দিষ্ট কর আকারে আরোপ করা এবং অর্জিত বাড়তি রাজস্ব বিড়ি শ্রমিকদের বিকল্প কর্মসংস্থানে ব্যয় করার সুপারিশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের গবেষণায়।

নীতিনির্ধারকদের প্রভাবিত করতে প্রতিবছর বাজেট ঘোষণার আগে বিড়ি মালিক এবং কিছু সুবিধাভোগী বিড়িশ্রমিক নেতা শ্রমিকদের প্রকৃত সংখ্যা নিয়ে মিথ্যাচার করেন। তারা দাবি তোলেন বিড়ির কর বাড়ানো হলে দেশের বিড়ি কারখানাগুলো বন্ধ হয়ে যাবে এবং ২০ থেকে ৩০ লক্ষ শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে। বিড়ি শ্রমিকদের সংখ্যা নিয়ে যে কাল্পনিক তথ্য তারা বছরের পর বছর দিয়ে থাকেন, তা মিথ্যা এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক ২০১৯ সালে প্রকাশিত ‘দি রেভিনিউ অ্যান্ড এমপ্লয়মেন্ট আউটকাম অব বিড়ি ট্যাক্সেশন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা গেছে, বাংলাদেশে বিড়ি শিল্পে  কর্মরত নিয়মিত, অনিয়মিত এবং চুক্তিভিক্তিক মিলিয়ে পূর্ণসময় কাজ করার সমতুল্য শ্রমিক সংখ্যা মাত্র ৪৬ হাজার ৯১৬ জন। বিড়ি শিল্পের কাজ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং মজুরিও খুব কম, মাসে গড় আয় মাত্র ১,৯৭২ টাকা। একজনের আয়ে সংসার চালানো প্রায় অসম্ভব। তাই অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পরিবারের শিশু, নারীসহ সকলকেই বিড়ি তৈরির ঝুঁকিপূর্ণ কাজে সম্পৃক্ত হতে হয়।

গবেষণা প্রতিবেদনে বিড়ির কার্যকর মূল্য বৃদ্ধির জন্য সম্পূরক শুল্কের পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট কর (specific excise tax) আরোপ করার সুপারিশ করা হয়েছে।  বিড়ির কর ও মূল্য কার্যকরভাবে বৃদ্ধি করা হলে, কয়েক লক্ষ বর্তমান এবং ভবিষ্যত বিড়ি ধূমপায়ীর অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে এবং বিড়ি থেকে রাজস্ব আয় বেড়ে যাবে দ্বিগুণেরও বেশি।  গবেষণায় বলা হয়েছে, বিড়ি খাত থেকে প্রাপ্ত বাড়তি রাজস্ব দিয়ে শ্রমিকদের প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হলে খুব সহজেই এই ঝুঁকিপূর্ণ পেশায় নিয়োজিত ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকদের পুনর্বাসন করা সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে বিড়ি শ্রমিকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকারি উদ্যোগে বিভিন্ন অর্থনৈতিক কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। সরকারিভাবে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেয়া হলে  ৭৮.৪ শতাংশ বিড়ি শ্রমিক এই ক্ষতিকর পেশা ছেড়ে দিতে চায় বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বিড়ির করকাঠামো পরিবর্তনসহ একাধিক সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে:

  • বিড়ির সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি করা এবং এখান থেকে অর্জিত বাড়তি রাজস্ব দিয়ে বিড়ি শ্রমিকদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য বিশেষ তহবিল গঠন করা;
  • বিড়ির ওপর আরোপিত সম্পূরক শুল্ক/এক্সাইজ ট্যাক্স এর একটি অংশ সুনির্দিষ্ট কর আকারে আরোপ করা;
  • শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সাথে জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেল এবং এনবিআরের যৌথ সমন্বয়ের মাধ্যমে যেসব জেলায় বিড়ি কারখানা রয়েছে সেখানে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বিকল্প কর্মসংস্থান অনুসন্ধান করা;
  • বিড়ি শ্রমিকদের ক্ষতিকর পেশা থেকে সরিয়ে নিতে এনজিও, বিড়ি শ্রমিকদের সংগঠন এবং সিভিল সোসাইটি সংগঠনকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে কাজ করা; এবং
  • নারী, শিশু, বয়স্ক এবং শারীরিকভাবে অক্ষম বিড়ি শ্রমিকদের জন্য স্থানীয় পর্যায়ে উপযুক্ত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

বার্তা প্রেরক,

মেহেদি হাসান

প্রজ্ঞা,

মোবাইল: ০১৭১২০৬১৫৩৭, ০১৭১১৩০৯১৭৩

টেলিফোন- ৯০০৫৫৫৩।




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭৩০
৩১