আজ রবিবার ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
তারাকান্দা সাব-রেজিস্ট্রারের আয়োজনে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উত্থান ও মানবতার অস্তগামী সূর্য পৃথিবীর বিবেকবান মানুষের প্রতি এক উদাত্ত আহ্বান প্রতিহিংসার মানসিকতা বদলাতে হবে : প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে ‘নিরবিচ্ছিন্ন সময় সাশ্রয়ী’ রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার বিজয় এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনে আগুন গৌরীপুরে স্বজনের বর্ষাবরণ উৎসব গৌরীপুর মহিলা কলেজ পরিদর্শনে মুগ্ধ জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স দুঃস্বপ্ন ও ভয় থেকে বাঁচতে নবীজির শেখানো দোয়া তিন ফিফটিতে তিনশ ছুঁইছুঁই সংগ্রহ বাংলাদেশের অনুমোদনহীন কারখানায় প্লাস্টিক পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে ডিজেল
||
  • প্রকাশিত সময় : মে, ২০, ২০২০, ৫:২৫ অপরাহ্ণ




‘২৪ লাখ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে’

বাহাদুর ডেস্ক :

বাংলাদেশের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসা সুপার সাইক্লোন ঘুর্ণিঝড় ‘আম্ফান’এর কারণে উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ২৪ লাখ মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান মোকাবেলায় সরকারের সবশেষে প্রস্তুতি নিয়ে আজ বুধবার বিকেলে সচিবালয় থেকে এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ বাংলাদেশ-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলের দিকে এগিয়ে আসতে থাকায় এ পর্যন্ত ২৩ লাখ ৯০ হাজার ৩০৭ জন মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়েছে। এছাড়া ৫ লাখ ১৭ হাজার ৪৩২টি গবাদিপশুকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসা হয়েছে।’

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই ঘূর্ণিঝড়ে যাতে একটি মানুষকেও যেন ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে ছেড়ে না আসা হয়- আমরা সেই নির্দেশ দিয়েছি। লোকসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আশ্রয় কেন্দ্রের সংখ্যা ১২ হাজার ৭৮টি থেকে বাড়িয়ে ১৪ হাজার ৩৩৬টি করা হয়েছে। এসব আশ্রয় কেন্দ্রে ২৩ লাখ ৯০ হাজার ৩০৭ জনকে নেওয়া হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার প্রয়োজন না হলে ১৪ হাজার ৩৩৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৫৭ লাখ ১৩ হাজার ৬০৭ জন মানুষকে রাখা সম্ভব হতো। দূরত্ব নিশ্চিত করতে অর্ধেক লোক রাখা হয়েছে। ওষুধসহ মেডিকেল টিম প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে

এনামুর রহমান বলেন, যারা আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন তাদের মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার সরবরাহ করা হয়েছে।

ভাষাণচরের ১২০টি শেল্টারের মধ্যে একটিতে কিছু মানুষকে রাখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের তদারকিতে নৌবাহিনী রয়েছে, তাদের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের কারণে মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর এবং চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরেও ৯ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অফিস। বাসস

টি.কে ওয়েভ-ইন




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০