আজ বৃহস্পতিবার ১৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম:
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশে টানা দুই দিন কোনো লোডশেডিং হয়নি: বিদ্যুৎ বিভাগ নেত্রকোনায় পানিতে তলিয়ে গেছে কৃষকের স্বপ্ন গৌরীপুরে গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত আপনারা ভাববেন, আপনারা একজন শিক্ষক, কোনো দলের নেতা নন :ডেপুটি স্পিকার ময়মনসিংহ আইনজীবী সমিতির সব পদে বিএনপিপন্থিরা বিজয়ী লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলায়ও মনোযোগ দিতে হবে : তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী গৌরীপুর মহিলা কলেজের অনার্স চতুর্থ বর্ষে পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা গৌরীপুরে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষ্যে শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা গৌরীপুরে শিশুদের হাম-রুবেলা প্রতিরোধে জরুটি টিকাদান ক্যাম্পেইন
প্রধান প্রতিবেদক || দৈনিক বাহাদুর
  • প্রকাশিত সময় : ফেব্রুয়ারি, ৬, ২০২৬, ৪:২৯ অপরাহ্ণ




জাপানে সচল হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

দীর্ঘ ১৫ বছর বন্ধ থাকার পর জাপানে বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি পুনরায় চালু হতে যাচ্ছে।

২০১১ সালের ফুকুশিমা বিপর্যয়ের পর থেকে কাশিয়াজাকি-কারিওয়া নামের এই বিশাল স্থাপনাটি বন্ধ ছিল। টোকিও ইলেকট্রিক পাওয়ার (টেপকো) পরিচালিত এই কেন্দ্রটির একটি রিঅ্যাক্টর ৯ ফেব্রুয়ারি পুনরায় চালু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান প্ল্যান্টের প্রধান তাকেইউকি ইনাগাকি। এর আগে গত ২১ জানুয়ারি রি-অ্যাক্টরটি চালু করার চেষ্টা করা হলেও একটি সতর্কঘণ্টা বা অ্যালার্ম বেজে ওঠায় পরদিনই তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।

কারিগরি ত্রুটির কারণে ওই অ্যালার্মটি বেজে উঠলেও পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে বর্তমানে রিঅ্যাক্টরটি অপারেশনের জন্য নিরাপদ বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটির বাণিজ্যিক উৎপাদন মূলত ১৮ মার্চ বা তার পরবর্তী সময়ে শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাশিয়াজাকি-কারিওয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে মোট সাতটি রিঅ্যাক্টর থাকলেও আপাতত মাত্র একটি চালু করা হচ্ছে।

 

২০১১ সালে শক্তিশালী ভূমিকম্প ও সুনামির কারণে ফুকুশিমা পরমাণু কেন্দ্রে বিপর্যয় ঘটার পর জাপান তাদের সমস্ত পারমাণবিক কেন্দ্র বন্ধ করে দিয়েছিল। তবে বর্তমানে জ্বালানি তেল আমদানির ওপর নির্ভরতা কমাতে এবং ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে দেশটি পুনরায় পারমাণবিক শক্তির দিকে ঝুঁকছে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এই কেন্দ্রটির সচল হওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে সরকার।

বিদ্যুৎকেন্দ্রটি চালুর বিষয়টি কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নিগাতা প্রিফেকচারের এক জরিপ বলছে, প্রায় ৬০ শতাংশ বাসিন্দা কেন্দ্রটি পুনরায় চালুর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

গত জানুয়ারিতে সাতটি প্রতিবাদী গোষ্ঠী প্রায় ৪০ হাজার মানুষের স্বাক্ষর করা একটি আবেদন জমা দিয়ে দাবি করেছে যে এই স্থাপনাটি একটি সক্রিয় ভূমিকম্প প্রবণ চ্যুতির ওপর অবস্থিত।

তাদের আশঙ্কা, ২০০৭ সালের মতো শক্তিশালী কোনো ভূমিকম্প আবারও এখানে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তবে সব শঙ্কা ও বিতর্ক কাটিয়ে টেপকো চূড়ান্ত প্রস্তুতির দিকেই এগোচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি




Comments are closed.

     এই বিভাগের আরও খবর




অনলাইন জরিপ

জাতিসংঘের বিশেষ দূত এলিস ক্রুজ বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল সব মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে না। আপনিও কি তা-ই মনে করেন?

View Results

Loading ... Loading ...

পুরনো সংখ্যার নিউজ

রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি
 
১০১১
১৩১৫১৬
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭৩০